আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে এরই মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ বিভিন্ন মসলার দাম। চট্টগ্রামের বাজারে বেড়েছে ডিম ও আদা-রসুনের দাম। নগরের কর্ণফুলী বাজার ঘুরে দেখা যায়, আদার দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বর্তমানে মানভেদে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। রসুনের দামও কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ১৩৫ থেকে ১৫০ টাকায় ঠেকেছে।
এ দাম বৃদ্ধি সব দোকানে সমান নয়। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। আর ব্যবসায়ীরা জানান, একেক বিক্রেতা একেক পাইকারি দোকান থেকে ভিন্ন সময়ে পণ্য কেনায় খুচরা বাজারে এই দরের পার্থক্য তৈরি হয়েছে।
ক্রেতারা জানান, তিন-চার দিনের মধ্যে কেজি প্রতি ২০ টাকা ৩০ টাকা বেড়ে গেছে। তবে পেঁয়াজের দাম আগের মতোই আছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে সাধারণ জনগণ আর কিছু কিনতে পারবে না। মসলা কোনোটাই কম নেই।
এদিকে, সরগরম ময়মনসিংহের মেছুয়া বাজার। সপ্তাহের ব্যবধানে বয়লার মুরগির দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে কক-সোনালী মুরগীর দামও। এছাড়া কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।
ক্রেতারা জানান, দ্রব্যমূল্যের এত ঊর্ধ্বগতি দেয়ালে পিঠ ঠেকার মতো। মানুষের থেকে গরুর খাবারের দাম বেশি।
সরবরাহ কমে যাওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ের সবজির দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বিক্রেতারা জানান, ইলিশ মাছ আগে বিক্রি হয়েছে ৮০০ টাকা করে সে মাছ আজকে ১৪৫০-১৫০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। নদীতে মাছ নেই। একদিকে অভিযান। মাছ না থাকলে তো দাম চড়া হবেই।
বরিশালে চড়া মাছ বাজার। সমূদ্রে নিষেধাজ্ঞার কারণে সরবরাহ কম থাকায় ইলিশসহ বেশিরভাগ মাছের দাম বাড়তি। গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০০-২৫০ টাকা বেড়েছে ইলিশ মাছের দাম। এছাড়া ১০-৩০ টাকা বেড়ে পোয়া, পাঙ্গাশ, তেলাপিয়াসহ সব ধরনের মাছের দর।
উৎসব এলেই বাজারে তদারকির অভাবে দাম বেড়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাইকারি ও খুচরা, উভয় পর্যায়ে প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর অভিযানের দাবি জানিয়েছেন তারা।





