একনজরে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তির তথ্য (Quick Facts)
বিবরণ (Information) তথ্য (Details) মোট শূন্য পদ "৬৭,২০৮টি (সম্ভাব্য)" বিজ্ঞপ্তির ধরণ সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি (7th Cycle) কর্তৃপক্ষ এনটিআরসিএ (NTRCA) আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (Teletalk) সর্বশেষ আপডেট মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন প্রাপ্ত
আরও পড়ুন:
নিয়োগের শূন্য পদের বিস্তারিত (Vacancy Details)
এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই শেষে মোট পদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ হাজার ২০৮টিতে। এর মধ্যে রয়েছে:
- স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে: ৩০ হাজার ২৭৯টি পদ।
- মাদ্রাসা পর্যায়ে: ৪০ হাজার ৮৩৮টি পদ।
- কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে: ৮৯১টি পদ।
এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের বক্তব্য (Statement of NTRCA Chairman)
চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, "প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষ হলেই যেকোনো দিন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে পদের সংখ্যা সামান্য কম-বেশি হতে পারে।" তিনি আরও জানান, এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।
আরও পড়ুন:
নিয়োগের ইতিহাস ও বর্তমান প্রেক্ষাপট (Background and History)
২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএকে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ১৬ জুন ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে ৪১ হাজার ৬২৬ জন শিক্ষককে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। ২০০৫ সাল থেকে এনটিআরসিএ সনদ প্রদান শুরু করলেও বর্তমানে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াটি বেকার যুবক ও নিবন্ধনধারীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
শিক্ষক নিয়োগে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি ২০২৬: আবেদনের নিয়মে আমূল পরিবর্তন, কমছে পছন্দক্রমের সুযোগ
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) প্রকাশিতব্য সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে (7th NTRCA Gono Biggopti) আবেদনের প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে। নিয়োগের সুপারিশ প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুততর করতে এবার পছন্দক্রমের সংখ্যা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পছন্দের তালিকা ৪০ থেকে কমে ৭টি (Choice List Change)
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, আগে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৪০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দ (Choice List) দিতে পারতেন। তবে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে একজন প্রার্থী মাত্র ৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দ করার সুযোগ পাবেন।
আদার অপশন : যদি কোনো প্রার্থী এই ৭টি প্রতিষ্ঠানের বাইরেও অন্য কোথাও চাকরি করতে আগ্রহী হন, তবে তাকে ই-অ্যাপ্লিকেশন ফরমে ‘আদার অপশন’ বক্সে ‘ইয়েস’ (Yes) সিলেক্ট করতে হবে। যারা নির্দিষ্ট তালিকার বাইরে যেতে চান না, তারা ‘নো’ (No) অপশন বেছে নেবেন।
আরও পড়ুন:
বয়স গণনার সময় নির্ধারণ (Age Limit Calculation)
সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়স গণনার তারিখ নির্দিষ্ট করেছে এনটিআরসিএ।
নির্ধারিত তারিখ: বয়স গণনা করা হবে ২০২৫ সালের ৪ জুন থেকে।
শর্ত: এই তারিখের মধ্যে প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর হতে হবে। যেহেতু ওইদিন ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়েছিল, তাই এই তারিখকেই মানদণ্ড ধরা হয়েছে। ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মতো এবারও বয়সের এই নিয়মে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
ইনডেক্সধারী ও সনদের মেয়াদ (Rules for Index Holders and Certificate Validity)
ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের আবেদন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ালেও এনটিআরসিএ স্পষ্ট করেছে:
সমপদে আবেদন বন্ধ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন অনুযায়ী, ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের একই পর্যায়ে আবেদন করার সুযোগ নেই।
ব্যতিক্রম: তবে কারো যদি স্কুলে ইনডেক্স থাকে কিন্তু কলেজে নেই (এবং নিবন্ধন আছে), তবে তিনি কলেজে আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে কলেজের শিক্ষকরা স্কুলে আবেদন করতে পারবেন।
সনদের মেয়াদ: নিবন্ধন সনদের মেয়াদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সবশেষ পরিপত্র অনুযায়ী ৩ বছরই থাকছে।
আরও পড়ুন:
শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি ২০২৬ নিয়ে বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর-FAQ
প্রশ্ন: সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি কবে প্রকাশিত হতে পারে?
উত্তর: এনটিআরসিএ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে যেকোনো দিন (জানুয়ারি মাসের মধ্যেই) সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রশ্ন: এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মোট কতজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে?
উত্তর: সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি মিলিয়ে মোট ৬৭ হাজার ২০৮টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন: আবেদনের ক্ষেত্রে বয়সসীমা কত?
উত্তর: বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর।
প্রশ্ন: বয়স গণনা করা হবে কোন তারিখ থেকে?
উত্তর: সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে বয়স গণনা করা হবে ২০২৫ সালের ৪ জুন তারিখ থেকে। ওই সময়ের মধ্যে বয়স ৩৫-এর নিচে হতে হবে।
প্রশ্ন: এবার কি পছন্দক্রমের (Choice List) সংখ্যা কমানো হয়েছে?
উত্তর: হ্যাঁ, আগে একজন প্রার্থী ৪০টি প্রতিষ্ঠানে পছন্দ দিতে পারতেন, এবার তা কমিয়ে মাত্র ৭টি করা হয়েছে।
প্রশ্ন: আবেদনের সময় 'আদার অপশন' (Other Option) বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: পছন্দ করা ৭টি প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পেতে রাজি থাকলে 'Yes' এবং রাজি না থাকলে 'No' অপশন সিলেক্ট করতে হবে।
প্রশ্ন: ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা কি এই বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে পারবেন?
উত্তর: না, ইনডেক্সধারীদের একই পর্যায়ে (যেমন স্কুল থেকে স্কুলে) আবেদনের সুযোগ রাখা হয়নি। তবে লেভেল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে (যেমন স্কুল থেকে কলেজে) শর্তসাপেক্ষে আবেদনের সুযোগ থাকতে পারে।
প্রশ্ন: শিক্ষক নিবন্ধন সনদের মেয়াদ কত বছর?
উত্তর: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সবশেষ পরিপত্র অনুযায়ী, শিক্ষক নিবন্ধন সনদের মেয়াদ এখন ৩ বছর।
প্রশ্ন: ১৮তম নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফলাফলপ্রাপ্তরা কি আবেদন করতে পারবেন?
উত্তর: হ্যাঁ, ১৮তম নিবন্ধনে যারা চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা এই সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
প্রশ্ন: কোন বিভাগে শূন্য পদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ রয়েছে মাদ্রাসায় (৪০,৮৩৮টি) এবং এরপর স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে (৩০,২৭৯টি)।
প্রশ্ন: আবেদনের জন্য ফি কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে?
উত্তর: সাধারণত এনটিআরসিএ-র গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের জন্য ১,০০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা থাকে (টেলিটকের মাধ্যমে পরিশোধযোগ্য)।
প্রশ্ন: আবেদন কি শুধু অনলাইনে করা যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, এনটিআরসিএ-র অফিশিয়াল টেলিটক ওয়েবসাইট (https://www.google.com/search?q=ngi.teletalk.com.bd) থেকে ই-অ্যাপ্লিকেশন পূরণ করে আবেদন করতে হবে।
প্রশ্ন: পছন্দ করা ৭টি প্রতিষ্ঠানের বাইরে নিয়োগ পাওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু?
উত্তর: আপনি যদি 'Other Option'-এ 'Yes' দেন এবং আপনার মেধা তালিকায় পজিশন ভালো থাকে, তবে দেশের যেকোনো প্রান্তের শূন্য পদে আপনাকে সুপারিশ করা হতে পারে।
প্রশ্ন: কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কতটি পদ রয়েছে?
উত্তর: সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮৯১টি শূন্য পদের চাহিদা দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন: নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ পেতে কত সময় লাগতে পারে?
উত্তর: আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর সাধারণত ১ থেকে ২ মাসের মধ্যে প্রাথমিক ফলাফল এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন সাপেক্ষে চূড়ান্ত সুপারিশপত্র দেওয়া হয়।




