ঈদের কেনাকাটায় পুরুষের শার্ট-প্যান্ট চাহিদা, আছে বৈচিত্র্য

শপিংমল
দেশে এখন
0

ঈদের কেনাকাটায় শার্ট ও প্যান্টের দিকে বেশি নজর থাকে পুরুষদের। সেটিকে মাথায় রেখে শপিংমলগুলোতে ঠাঁই পেয়েছে নানা রঙ ও ডিজাইনের শার্ট-প্যান্ট। তবে সাধারণ দোকান আর ব্রান্ডের মধ্যে দামের পার্থক্য রয়েছে বেশ। রোজার মাঝামাঝি থেকে প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রির আশা দোকানিদের।

ঈদে পুরুষের পছন্দের তালিকায় উপরের দিকেই থাকে শার্ট ও প্যান্ট। এই চাহিদাকে মাথায় রেখে রাজধানীর শপিংমলগুলোতে শোভা পাচ্ছে নানা রঙ ও ডিজাইনের শার্ট-প্যান্ট।

রাজধানীর নিউমার্কেট, সায়েন্সল্যাব ও পান্থপথ এলাকার শপিংমল ঘুরে দেখা যায়, সুতি, প্রিন্ট ও এক রঙের শার্টের চাহিদা বেশি। প্রকারভেদে সাধারণ দোকানগুলোতে ৬০০ থেকে হাজার টাকায় শার্ট বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া জিন্সের মধ্যে রকি’স, আমেরিকান ঈগল ও জি স্টার প্যান্টের চাহিদা রয়েছে বেশ। ৮০০ থেকে ১২০০ মধ্যে জিন্স ও ৬০০ থেকে হাজার টাকায় মিলছে গ্যাবার্ডিন প্যান্ট।

দোকানিদের মধ্যে একজন বলেন, ‘এক্সপোর্ট আইটেমের শার্টগুলোর চাহিদা বেশি। গার্মেন্টস কোয়ালিটির শার্টগুলোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। প্রিন্ট, এক কালার বা স্ট্রাইপের শার্টগুলো; সব ধরনের শার্টেরই চাহিদা আছে।’

আরও পড়ুন:

তবে ব্রান্ডের দোকানগুলোর চিত্র ভিন্ন। সেখানে একটি শার্ট কিনতে ক্রেতাদের দেড় হাজার থেকে থেকে তিন হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। আর প্যান্ট বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকায়।

শপিং করতে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে একজন বলেন, ‘শার্ট-প্যান্টের ডিজাইন যেটা হয়, গতানুগতিক ধারার থেকে এবার একটু অন্যরকম দেখছি।’

অন্য একজন বলেন, ‘ব্র্যান্ডের কম্পেয়ার করতে গেলে, গের বছরগুলোর চেয়ে এবার দাম দ্বিগুণেরও বেশি।’

অন্যদিকে এখন পর্যন্ত বেচাকেনা তুলনামূলক কম বলে দাবি করছেন বিক্রেতারা। তারা জানান, মাসের শেষ হওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে বিক্রিতে।

বিক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘কাস্টমার হলে আমাদের বেচাকেনা ভালো হবে। কিন্তু এখনো সেভাবে কাস্টমার আসতে শুরু করেনি। মাসের শেষ হলো মাত্র। আস্তে আস্তে বাড়বে।’

১৫ রমজান থেকে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হবে বলে প্রত্যাশা দোকানিদের।

এসএস