আজ (রোববার, ১৫ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয় ও গৌরবের প্রতীক।’
সভায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনারও অবতারণা হয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে চাইলে তিনি বিনয়ের সঙ্গে তা প্রত্যাখ্যান করে সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
এ প্রসঙ্গে আহমেদ আযম খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চান না যে, আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ফুল বিনিময়ের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় হোক।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, দেশে শুধু আনুষ্ঠানিকতা পালনের ক্ষেত্রেই বছরে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ফুলের পেছনে ব্যয় হয়।’
এটাকে তিনি অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী ব্যয় হিসেবে উল্লেখ করে এমন ব্যয় এড়িয়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘তিনি এ দায়িত্বে নতুন হলেও মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা নিয়ে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে চাই।’ এছাড়া কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসময় কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।





