শারমীন বলেন, ‘যত ধরনের ভাতাভোগী ছিল, সে তালিকা রিভিজিট করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। জিটুপি (সরকার থেকে ব্যক্তি) পদ্ধতিতে প্রক্সিমিটি টেস্টের মাধ্যমে আমরা বেনিফিশিয়ারি সিলেক্ট করছি। অবশ্যই যাদের চাহিদা আছে, যারা পাওয়ার যোগ্য, দল-মত-সকল কিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সেই যোগ্য মানুষের কাছে বেনিফিটটা যাতে পৌঁছায়, সেটা নিশ্চিত করানোর জন্য ইতোমধ্যে কমিটি গঠিত হয়েছে।’
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা যেন সুবিধাভোগীদের কাছেই পৌঁছায়, এটাকে নিশ্চিত করার জন্য সকল ধরনের প্রচেষ্টা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি।’
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই তালিকা যাচাই-বাছাই করে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবাই মিলে কাজগুলো করলে সমস্যাগুলো সমাধান করতে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না।’
শারমীন বলেন, ‘সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের ৮২ শতাংশের বেশি জনসংখ্যা নিয়ে কাজ করে। তাদের জীবনমানের উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ থেকে শুরু করে নেটওয়ার্কিংয়ের কাজ করে। এই মন্ত্রণালয় দুটির কাজের পরিমাণ অনেক বেশি, কিন্তু আওয়াজ অনেক কম।’
‘প্রত্যেকটা সরকার অনেক পরিকল্পনা নেয়। উন্নয়ন কার্যক্রম নেয়। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মেইন টুলস কিন্তু তারা (জেলা প্রশাসক)। যেহেতু অধিকাংশ কমিটিগুলোর সভাপতি তারা থাকেন। উনাদের দায়িত্বশীলতা ও কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে আমাদের পরিকল্পনাগুলো কতখানি কার্যকর হচ্ছে,’ যোগ করেন তিনি।
চলমান প্রকল্পগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোকে আরও বেশি শক্তিশালী করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে শারমীন বলেন, ‘সরকার থেকে যত সুবিধা প্রান্তিক পর্যায়ে দেয়া হয়, একেবারে গ্রাম পর্যায়ে দেয়া হয়, এই সুবিধা যদি যথাযথভাবে পৌঁছায়, তাহলে কিন্তু অনেক উন্নয়ন সম্ভব।’
‘বিগত সময়গুলোতে বেশিরভাগ সুবিধাগুলো তছরুপ করা হয়েছে। এই জায়গাতে আমরা তাদের একটু সতর্ক করার চেষ্টা করেছি যে, আপনাদের মাধ্যম দিয়ে যেন কেউ এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই উৎসাহিত করতে না পারে। আমরা চাচ্ছি, আমাদের পরিকল্পনা, উন্নয়নগুলো যেন গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে যথাযথভাবে পৌঁছায়,’ যোগ করেন তিনি।





