পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ক্যান্টিনের খাবারের মান, মূল্য, পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যবিধি, পরিবেশ এবং সার্বিক সেবার মান নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি ক্যান্টিনে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং খাবারের মান, সেবার গুণগত মান, মূল্য এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতা শোনেন।
একইসঙ্গে ক্যান্টিন পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সেবার মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এসময় মন্ত্রী বলেন, ‘সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাই তাদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী খাদ্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সেবার মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না।’
আরও পড়ুন:
ক্যান্টিনের সার্বিক অবকাঠামো পর্যবেক্ষণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুবিধার্থে ক্যান্টিনের পরিসর আরও বড় করা প্রয়োজন। বর্তমান জায়গাটি তুলনামূলকভাবে সীমিত। এ লক্ষ্যে ক্যান্টিনের স্থান সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে সবাই আরও স্বাচ্ছন্দ্যে ও উন্নত পরিবেশে সেবা গ্রহণ করতে পারেন।’
তিনি বলেন, ‘কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন নিয়মিত পরিচালিত হবে। ক্যান্টিন পরিচালনায় কোনো ধরনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা বা সেবার মানে গাফিলতির অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
মন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে জানান, ক্যান্টিনের খাবারের মান, পরিবেশ কিংবা সেবার বিষয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অথবা সরাসরি তাকে জানানোর জন্য।
তিনি বলেন, ‘অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি এবং সেবার মান উন্নয়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।’
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী ক্যান্টিনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা আরও পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও সেবাবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সেবার মান বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি উন্নত, স্বাস্থ্যসম্মত ও সেবামুখী পরিবেশ গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।





