আজ (শনিবার, ১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মীর হেলাল বলেন, ‘সমস্যা যেখানে আছে সেখানে সমাধানও আছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত “রংধনু জাতি” গঠনের দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল ভাবনা পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলাতেই সবচেয়ে বেশি প্রতিফলিত হয়েছে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মিথ্যা তথ্য দিয়ে গুজব বিশৃঙ্খলার ফাঁদে পা দেয়া যাবে না।’
কোনো ধরনের গুজব ও বিশৃঙ্খলার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি কোনো বিষয়ে সন্দেহ বা অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হলে অবহেলা না করে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পার্বত্য জেলা পরিষদ কিংবা বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে অবহিত করার অনুরোধ জানান।
আরও পড়ুন:
ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ‘দেশের জনগণ যাতে দীর্ঘ সময় পর পুরো মাত্রায় গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে পারে, সেজন্য বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার সারা দেশে কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় এবার শারদীয় উৎসবে সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়াও কঠিন চীবর দান, প্রবারণা পূর্ণিমাসহ সব প্রকার উৎসব পালনের জন্য বরাদ্ধ বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যা প্রতিশ্রুতি দেন, তা বাস্তবে তার চেয়েও বেশি অর্জন করে দেখান। তার আদর্শ ও দর্শনকে অনুসরণ করে একটি স্বনির্ভর ও রংধনু জাতি গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে প্রতিষ্ঠিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
পরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ৪৭টি পূজামণ্ডপের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিদের হাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২৫ লাখ টাকার চেক আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। এছাড়াও প্রতিমন্ত্রী রাঙামাটির বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।





