ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আজ (রোববার, ১ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ‘কো-অপারেশন অ্যাফ্লোট রেডিনেস অ্যান্ড ট্রেনিং (ক্যারাট) বাংলাদেশ ২০২৬’ শীর্ষক যৌথ মহড়াটি আগামী ২ থেকে ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজটি পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে মেজর কার্স্টেন ফ্লেচার জাহাজটির কর্মকর্তা ও নাবিকদের স্বাগত জানান। মাইন প্রতিরোধী জাহাজ ইউএসএস ওয়ারিয়রের অংশগ্রহণ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামুদ্রিক সহযোগিতার ধারাবাহিকতার অংশ।
মার্কিন দূতাবাস জানায়, ক্যারাট বাংলাদেশ ২০২৬-এর মাধ্যমে এ অঞ্চলের অভিন্ন সামুদ্রিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে ওয়াশিংটনের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে। ঘনিষ্ঠ সামরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করাও এ মহড়ার অন্যতম উদ্দেশ্য।
দূতাবাস আরও জানায়, যৌথ এ মহড়া বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরছে। একই সঙ্গে অভিন্ন সামুদ্রিক নিরাপত্তা লক্ষ্য অর্জনে দুই দেশের সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকারও এতে প্রতিফলিত হয়েছে।
ক্যারাট বাংলাদেশ ২০২৬-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে সামুদ্রিক নিরাপত্তার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই বাহিনীর সক্ষমতা ও সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।—বাসস





