আরও পড়ুন:
ই-রিকশার নিবন্ধন ফি, নবায়ন ও মেয়াদকাল (E-rickshaw registration fees, renewal and validity period)
নতুন নীতিমালায় দুই ও চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার জন্য পৃথক ফি ও শর্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে (E-rickshaw registration cost and fitness renewal fee):
- ২ যাত্রী ধারণক্ষমতা: দুই আসনের ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি ৮,০০০ টাকা (2 seater e-rickshaw registration fee 8000 taka BD)। ১ বছর পর ফিটনেস যাচাই সাপেক্ষে নবায়ন ফি দিতে হবে ৪,০০০ টাকা।
- ৪ যাত্রী ধারণক্ষমতা: চার আসনের ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি ১০,০০০ টাকা (4 seater battery rickshaw registration fee 10000 taka)। ১ বছর পর ফিটনেস নবায়ন ফি হবে ৫,০০০ টাকা।
- যানবাহনের সর্বোচ্চ মেয়াদ: ব্যাটারিচালিত এসব রিকশা সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত চলাচলের সুযোগ পাবে (E-rickshaw maximum vehicle lifetime 12 years BD)।
- এনআইডি প্রতি সর্বোচ্চ সীমাবদ্ধতা: একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে সর্বোচ্চ ৫টি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে (Maximum 5 e-rickshaw registration per NID)।
আরও পড়ুন:
ঢাকার জন্য ৮টি জোন, ভিন্ন রঙ ও কিউআর কোড প্রযুক্তি (8 zones in Dhaka, unique colors and QR code tracking)
রাজধানী ঢাকা শহরসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশনে ই-রিকশা চলাচল সুশৃঙ্খল করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে:
- আলাদা জোন ও রঙ ব্যবস্থা: ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচলে ৮টি জোন গঠন করা হচ্ছে (Dhaka 8 zone system for battery rickshaw movement)। প্রতিটি জোনের রিকশার জন্য নির্ধারিত থাকবে আলাদা রঙ। ফলে এক জোনের ই-রিকশা চাইলেই অন্য জোনে চলাচল করতে পারবে না (Zone wise e-rickshaw color code restriction BD)।
- কিউআর কোড ট্র্যাকিং: প্রতিটি ই-রিকশায় কিউআর কোড (QR code) সংযুক্ত থাকবে। এতে নিবন্ধন নম্বর, মালিকের বিস্তারিত তথ্য, সিটি করপোরেশনের নাম এবং চলাচলের অনুমোদিত জোনের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে (QR code tracking system for BD battery rickshaw)।
- প্রধান সড়কে নিষেধাজ্ঞা: যেসব প্রধান সড়কে বাস চলাচল করে, সেসব রাস্তায় ই-রিকশার প্রবেশ ও চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
আরও পড়ুন:
বুয়েটের নকশা সংশোধন, চার্জিং স্টেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স (BUET approved design, charging station and driver license update)
- বুয়েটের অনুমোদিত নকশা: বিদ্যমান রিকশাগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী সংশোধন ও পরিবর্তন করার পর নিবন্ধন প্রদান করা হবে (BUET approved design for battery auto rickshaw modification)। নতুন প্রস্তুতকারকদেরও এই নির্দিষ্ট মডেল অনুসরণ করে রিকশা তৈরি করতে হবে।
- চার্জিং স্টেশন অনুমোদন: ই-রিকশার জন্য নির্দিষ্ট স্থানে চার্জিং স্টেশন স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে সৌরবিদ্যুৎ (Solar energy charging) ব্যবহার করে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলে সেই প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে।
- লাইসেন্স ও ভাড়া নির্ধারণ: আপাতত চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক নয়, তবে পর্যায়ক্রমে সবাইকে লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে। রিকশার কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া মালিকপক্ষ, ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করবে।
আরও পড়ুন:



