মোস্তাফিজ ইস্যুতে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া, ৪৮ ঘণ্টায় ১০ লাখ ফলোয়ার হারালো কলকাতা!

ফেসবুকে ১০ লাখ ফলোয়ার হারালো কলকাতা
ক্রিকেট
এখন মাঠে
0

আইপিএলের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) থেকে বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রভাব এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় কেকেআর-এর ফেসবুক পেজ থেকে প্রায় ১০ লাখ ফলোয়ার (KKR Facebook followers drop) কমেছে বলে জানা গেছে।

একনজরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বর্তমান পরিস্থিতি (Current Situation at a Glance)

বিষয়ের বিবরণতথ্য
হারানো ফলোয়ার সংখ্যাপ্রায় ১০ লাখ (গত ৪৮ ঘণ্টায়)
মোস্তাফিজের ক্রয়মূল্য৯ কোটি ২০ লাখ রুপি
প্রধান রিঅ্যাকশনঅ্যাংরি (১ লাখ ৩৭ হাজার+)
বিসিবির পদক্ষেপআইসিসিকে ম্যাচ সরানোর চিঠি
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু"৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬"

আরও পড়ুন:

ক্ষোভের মুখে কেকেআর ও বিসিসিআই (Anger towards KKR and BCCI)

৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজকে দলে নেওয়ার পর বাংলাদেশি সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা ছিল। কিন্তু বিসিসিআই-এর নির্দেশে হুট করে মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়া এবং তাকে নিয়ে করা সব পোস্ট মুছে ফেলায় ভক্তরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। কেকেআর-এর অফিসিয়াল পেজে এখন অ্যাংরি (Angry reaction) এবং হাহা রিঅ্যাকশনের বন্যায় ভাসছে। প্রতিটি পোস্টে নেতিবাচক মন্তব্যে সয়লাব করে দিচ্ছেন বাংলাদেশি নেটিজেনরা।

বিশ্বকাপ ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার আবেদন (Request to Move World Cup Matches)

ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করেছে বিসিবি (BCB's letter to ICC)। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ-এর তথ্যমতে, আইসিসি (ICC) বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

আরও পড়ুন:

ডিজিটাল বয়কটের মুখে আইপিএল (Digital Boycott of IPL)

মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা কেকেআর, আইপিএল এবং বিসিসিআই-এর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলো ‘আনফলো’ করার ডাক দিয়েছেন। এর আগে কেকেআর-এর ফলোয়ার ছিল ১ কোটি ৮১ লাখের বেশি, যা বর্তমানে দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। মোস্তাফিজকে নিয়ে করা বিতর্কিত পোস্টে ২ লাখের বেশি রিঅ্যাকশন এসেছে, যার বড় অংশই নেতিবাচক।

আরও পড়ুন:


এসআর