ক্রিকেট বোর্ডে রদবদল-ওয়ানডে সিরিজ জয়। এতসব ঘটনার পরেও প্রায় পাঁচ মাস পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নামার আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ প্রসঙ্গের সম্মুখীন অধিনায়ক লিটন। এড়িয়ে না গিয়ে টাইগার ক্যাপ্টেন লিটনের ভাষ্যে স্পষ্ট আগামীর পরিকল্পনা। অল্প দু'এক কথায় বুঝিয়ে দিলেন দ্যা শো মাস্ট গো অন।
অধিনায়ক লিটন দাস বলেন, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে যে পাঁচজন আমরা ট্যালেন্ডারকে ধরছি, পাঁচ পেস বোলারের ভেতরে তিনজনই খুবই ভালো ব্যাটিং পারে। বিশেষ করে রোল—শেখ মেহেদী, নাসুম, রিশাদ যারা স্পিন বল করে, তাদের কাছ থেকে আমরা একটু ব্যাটিং আশা করি। সাথে আমাদের যে অলরাউন্ডারগুলা আছে তারা বোলিং সাথে যদি আমাদেরকে ব্যাটিং দিতে পারে তাহলে একটা হেলদি ব্যাটিং অর্ডার তৈরি হয়। আপনি দেখবেন যে বড় বড় টিমগুলোতে সবগুলোরই ডেপথ অনেক বড়, নয় নম্বর পর্যন্ত ব্যাটিং পারে। তো ওই ডেপথটা যদি আমরা তৈরি করতে পারি তাহলে মনে হয় আমাদের ব্যাটসম্যানরা উপর থেকে আরও ফ্রিলি গেম খেলতে পারবে।
সিনিয়র বোলারদের বিশ্রামে পাঠিয়ে বিকল্প তৈরি, ব্যাটিং অর্ডার লম্বা করা, ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন বিবেচনায় সাকলাইন-তানজিম সাকিব-সাইফউদ্দিনদের প্রপার অলরাউন্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দিকে চোখ ক্যাপ্টেন লিটনের। সবমিলিয়ে নিউজিল্যান্ড সিরিজ বলা যায় বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সূচনা সিরিজ।
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অধিনায়ক টম লাথাম বলেন, আমাদের দলে এমন ছেলেরা আছে যারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলেছে। আমি তাদের সেই জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মাঠে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ দিতে চাই। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ উইনারদের খেলা। এখানে একজন খেলোয়াড় ভালো দিন পার করলেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যেতে পারে। তাই আত্মবিশ্বাসের সাথে মাঠে নিজেদের সেরাটা দেয়া জরুরি।
অন্যদিকে অনভিজ্ঞ দল হলেও কিউই ক্রিকেটারদের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় ব্ল্যাক ক্যাপস অধিনায়ক টম লাথাম। তবে ম্যাচ উইনারদের খেলা টি-টোয়েন্টিতে যেকোনো কিছুই সম্ভব বলে মনে করেন লাথাম।
চট্টগ্রামে খেলা সবশেষ ছয় টি-টোয়েন্টির চারটিতেই হেরেছে বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩-০ তে সিরিজ হারের তিক্ত স্বাদ পেয়েছিলো বাংলাদেশ। তবে নিউজিল্যান্ড সিরিজে জয়ের সংখ্যা বাড়ানোর প্রত্যাশা টাইগারদের।





