চ্যাম্পিয়নের মুকুট পড়ে শিরোপা হাতে বাংলাদেশের মাটিতে পা। এমন দৃশ্য এবারই প্রথম নয়। এর আগেও সাফ শিরোপা স্পর্শ করেছেন সাবিনারা। তবে এবারের ট্রফিটা বিশেষ কিছু ফুটবলার তথা বাংলাদেশের জন্যও।
সাবিনার নেতৃত্বে প্রথমবার নারী সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেয় বাংলাদেশ। থাইল্যান্ডের মাটিতে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হয় সাবিনা-মাসুরা। বাংলাদেশ ফুটসালের ইতিহাসে যা প্রথম কোনো শিরোপা। শুধু তাই না, নারী সাফ ফুটসালেও প্রথম আসর এটি। যে কারণে ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে এমন কীর্তি গাথা।
ইতিহাসের পাতায় নতুন করে নাম লেখাতে পেরে দারুণ খুশি সাবিনা। জানালেন নিজের অনুভূতির কথা।
আরও পড়ুন:
সাবিনা আক্তার বলেন, ‘ফুটবল-ফুটসালের প্রতি, খেলাধুলার প্রতি কতটা তাদরে ভালো লাগা-ভালোবাসা আছে যখন কোনো জয় হয়, তা দেখা যায়। ওই জাগা থেকেই আমার মনে হয় যে, মোটিভেশনগুলো আসে, মেয়েরা উৎসাহিত হয়, মেয়েদের খেলার আগ্রহ আরও বাড়ে, জেতার আগ্রহ বাড়ে। সে জায়গা থেকেই এ ট্রফি, দেশের মানুষের জন্য।’
চ্যাম্পিয়নদের জন্য ছাদখোলা বাস থেকে শুরু করে গ্র্যান্ড রিসিপশনের জন্য তৈরি করা হয় মঞ্চ। এয়ারপোর্ট থেকে নেমে সেই ছাদখোলা বাসে করে উদযাপন আর উদ্দীপনায় এম্ফিথিয়েটারে পৌঁছায় সাবিনারা। এমন সফলতায় দল থেকে শুরু করে কোচিং স্টাফ সবার গুণকীর্তন করতে ভুল করলেন না দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ অভিভাবক।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আওয়াল বলেন, ‘আমরা প্রথমবার সাফ ফুটসাল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেছিলাম। প্রথমবারের মতোই কিন্তু সাফও ফুটসালটা আয়োজন করেছে। প্রথমবারের চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা একটা অনারের বিষয়। আমাদের আত্মবিশ্বাস ছিল, কারণ আমাদের যে খেলোয়াড়রা ছিলেন, শুধু তাদের ট্যালেন্টের বিষয় না, তাদের যে ডেডিকেশন ছিল, হার্ডওয়ারর্ক ছিল, সেটাই প্রমাণ করে দিয়েছে এটা একটা চ্যাম্পিয়ন দল। তারা কিন্তু মাঠের ভেতরে এবং মাঠের বাইরে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আচরণ করছে।’
মেয়েদের এমন সাফল্যে অভিভূত সরকারও। ফুটসালের উন্নয়নে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহায়তার আশ্বাস দিলেন ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সেলিম ফকির।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



