গ্রুপ পর্বে খুব একটা ছন্দে ছিলো না থ্রি লায়ন্সরা। পানামাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলেও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত শুরুর পর পরের দুই ম্যাচে রক্ষণাত্মক দলের বিপক্ষে গোলের সুযোগ তৈরি করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে।
অন্যদিকে ডিআর কঙ্গোও চমক দেখিয়ে নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে। পর্তুগালের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র, কলম্বিয়ার বিপক্ষে অল্প ব্যবধানে হার এবং উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেরা তৃতীয় স্থান পাওয়া দল হিসেবে শেষ ৩২-এ উঠেছে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। তবে অভিজ্ঞতা, স্কোয়াডের গভীরতা এবং আক্রমণভাগের মান বিবেচনায় এগিয়ে ইংল্যান্ডই।
সাম্প্রতিক ১০টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে ৮টিতেই কোনো গোল না হজম করে জিতেছে তারা। তাই সব দিক বিবেচনায় নকআউট পর্বের এ লড়াইয়ে ফেবারিট ইংল্যান্ড।





