ম্যানচেস্টারের দুই ক্লাবের দুই আর্থিক চিত্র, ঋণের চাপে ইউনাইটেড

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
ফুটবল
এখন মাঠে
0

একই শহর, একই লিগ কিন্তু আর্থিক গল্পে আকাশ-পাতাল পার্থক্য ম্যানচেস্টারের দুই ক্লাবের। নতুন করে আলোচনায় এবার ইউনাইটেডের বাড়তে থাকা ঋণ। মাঠে সাফল্য এলেও, হিসাবের খাতায় যেন স্বস্তি নেই রেড ডেভিলদের।

ম্যানচেস্টারের দুই ক্লাব, অথচ আর্থিক বাস্তবতা দুই রকম। ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক অনিয়মের রায়ের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিশাল ঋণ।

প্রিমিয়ার লিগের প্যানেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক বছর ধরে সিটির আয় ৮৩০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি বাড়িয়ে দেখানো হয়েছিল। অর্থাৎ, মালিকপক্ষের দেওয়া অর্থের একটি অংশ স্পনসরশিপ আয় হিসেবে দেখিয়ে লিগের আর্থিক নিয়ম এড়ানো হয়েছিল।

সিটির এই ঘটনা প্রকাশের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ইউনাইটেডের সর্বশেষ আর্থিক হিসাব সামনে আসে। সেখানে দেখা গেছে, গত অর্থবছরে ক্লাবটির সুদ বাবদ খরচ হয়েছে ৩৭ মিলিয়ন পাউন্ড। আর ২০০৫ সালে গ্লেজার পরিবারের মালিকানা নেওয়ার পর থেকে ইউনাইটেডের মোট নিট সুদ পরিশোধের পরিমাণ আনুমানিক ৮৫২ মিলিয়ন পাউন্ড।

সব মিলিয়ে ইউনাইটেডের মোট ঋণ এখন দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ১৫ বিলিয়ন পাউন্ডে। অথচ ২০২১ সালে এই অঙ্ক ছিল প্রায় ৬৬৭ মিলিয়ন।

তবে মাঠের সাফল্য কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে ক্লাবটিকে। তৃতীয় হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরেছে তারা। রেকর্ড ৬৭৭ দশমিক ৬ মিলিয়ন পাউন্ড রাজস্বও এসেছে। কিন্তু নতুন খেলোয়াড় কিনতে প্রায় ১৯২ মিলিয়ন পাউন্ডের দায়, অতিরিক্ত ৯০ মিলিয়ন পাউন্ড ঋণ এবং নতুন স্টেডিয়ামের জন্য ৬৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ সব মিলিয়ে চাপ কমেনি।

তাই ওল্ড ট্রাফোর্ডে এখন মূল লক্ষ্য শুধু মাঠের সাফল্য নয়; আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিয়মিত ফেরাই ইউনাইটেডের বড় চ্যালেঞ্জ।

এফএস