সাফ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে জামাল-তপুদের অনুশীলন শুরু

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের অনুশীলন
ফুটবল
এখন মাঠে
0

নভেম্বরের সাফ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে শুরু হয়ে গেছে লাল-সবুজের চূড়ান্ত প্রস্তুতি। দলের বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ছাড়া প্রথমদিনের অনুশীলনে উপস্থিত ছিলেন জামাল ভুইয়াসহ তপু বর্মন, জিদান ইউসুফ, সুকি ইতোফুসা, মাহি খানরা। সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে জাতীয় দলের জার্সিতে ভালো খেলায় লক্ষ্য জানান এই তরুণ ফুটবলার।

জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথমবারের মতো জাতীয় স্টেডিয়ামে সুকি ইতোফুসা, জিদান ইউসুফ এবং মাহি খান। তাইতো দলের মিডিয়া ম্যানেজারসহ সবার বাড়তি নজর তাদের প্রতি।

শুধুই ঘাম ঝরানো অনুশীলন নয়, এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ক্যাম্পে যোগ হয়েছে এক নতুন রোমাঞ্চ, নতুন আশা। আর সেই আশার আলো ছড়াচ্ছেন এই তিন নতুন মুখ।

ফর্টিস এফসির জাপানিজ বংশোদ্ভূত প্রতিভাবান ফরোয়ার্ড সুকি ইতোফুসা। বাংলা ভাষা না জানলেও সতীর্থদের সঙ্গে রসায়ন তৈরিতে বেশ পটু সুকি। আসিয়ান কাপের পর দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় দলের জার্সিতে বেশ চনমনে এক সুকিকে দেখা গেলো স্টেডিয়ামে।

সুকির সাথে আরেক তরুণ খেলোয়াড় জিদান ইউসুফ। আর আক্রমণে নতুন ধার আনতে কঠোর পরিশ্রমে ব্যস্ত মাহি খান। প্রথমবার দেশের মূল আঙিনায় অনুশীলনে নেমে এ তরুণ ত্রয়ী যেন ফুটবল ভক্তদের প্রত্যাশার পারদকে আরও বাড়িয়ে দিলেন।

মাহি খান বলেন, ‘আমি ইংল্যান্ডে গিয়ে চেক আপ করেছি, গেম খেলেছি, কোনো সমস্যা নেই। এখন পুরোপুরি ফিট আছি। ইনশাআল্লাহ, আমি যদি অনুশীলনে ভালো করি, তাহলে নাম্বার নাইনে খেলবো নিশ্চিতভাবেই।’

আরও পড়ুন:

কোচিং স্টাফদের অধীনে পাসিং, গতি এবং ট্যাকটিক্যাল পজিশনিং সব জায়গায় প্রথম দিনই কাজ করার দৃশ্য ধরা পড়ে ক্যামেরার লেন্সে। তরুণ আর অভিজ্ঞদের এ নতুন রসায়নই এবার সাফের মঞ্চে বাংলাদেশকে এনে দিতে পারে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। এমনটাই মত ইনজুরি থেকে ফেরা তপু বর্মনের।

তিনি বলেন, ‘আপনি যখন চ্যাম্পিয়ন হতে যাবেন, তখন অবশ্যই আপনি প্রতিপক্ষকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হতে হবে। এটা যেকোনো দল হতে পারে। এই মানসিকতা নিয়েই আমাদের মাঠে নামতে হবে।’

জাতীয় স্টেডিয়ামের এ সবুজ গালিচা থেকে শুরু হওয়া যাত্রা সাফের ট্রফি পর্যন্ত পৌঁছাবে কি না, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

এসএইচ