কারাবাও কাপে অঘটন, আর্সেনালকে বিদায় করে শেষ আটে ফ্লিটউড

জয়ের  ফ্লিটউড টাউন
ফুটবল
এখন মাঠে
1

কারাবাও কাপে ৬৬ বছরের ইতিহাসে অন্যতম সেরা অঘটন দেখলো ফুটবল সমর্থকরা। প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর মেগাবাজেটের দল আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে হারায় ফ্লিটউড টাউন। তাতে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইংলিশ ফুটবলের চতুর্থ স্তরের লিগ টু দল ফ্লিটউড।

একদিকে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ পরাশক্তি আর্সেনাল। অন্যদিকে ইংলিশ ফুটবলের চতুর্থ সারির দল ফ্লিটউড টাউন। কাগজে কলমে দুই দলের শক্তির ব্যবধান যেখানে আকাশ পাতাল পার্থক্য সেখানে মাঠের লড়াইয়ে মুছে গেল সব ভেদাভেদ। ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ারের হাইবারি স্টেডিয়ামে মাঠে নামে আর্সেনাল, কজনই বা ভেবেছিল এমন পরিণতির কথা।

ম্যাচের ২১ মিনিটেই ল্যাঙ্কাশায়ারের হাইবারি স্টেডিয়াম স্তব্ধ করে দেয় ফ্লিটউড। অ্যারন লোপালোবির দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে যেন দিশেহারা মিকেল আর্তেতার শিষ্যরা। বিরতির আগে গোল শোধে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ভিক্টর গিওকেরেস গোলে সমতায় ফেরে আর্সেনাল।

তবে নাটকীয়তা তখনো বাকি ছিলো। নির্ধারিত সময় শেষের আগ মুহূর্তে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় গানার্সরা। পরে চেষ্টা করেও প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের নৈপুণ্যে সমতা ভাঙতে পারেনি আর্সেনাল। ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। আর সেখানেই মঞ্চস্থ হয় আসল নাটক।

টাইব্রেকারে স্নায়ুর চাপ ধরে রেখে ফ্লিটউডের ফুটবলাররা একে একে জালে বল জড়ান। বিপরীতে আর্সেনালের তারকা মিডফিল্ডার ব্রুনো গুইমারেসের নেয়া শট বাজপাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে আটকে দেন ফ্লিটউড গোলরক্ষক জে লিঞ্চ। তাতে ৫-৩ ব্যবধানের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটে ফ্লিটউড টাউন।

ইউরোপের অন্যতম পরাশক্তি, আর দল সাজাতে বিপুল অর্থ খরচ করা আর্সেনালকে পরাস্ত করে মাঠে উল্লাসে ফেটে পড়ে লিগ টুতে ১৮তম অবস্থানে থাকা ফ্লিটউড টাউনের খেলোয়াড়রা।

জেআর