
নেতানিয়াহুর বক্তব্য ‘মিথ্যা ও বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা’, বলছেন লেবাননের বিশ্লেষকরা
লেবাননের খ্রিষ্টান অধ্যুষিত গ্রামগুলো ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর দাবি নাকচ করে দিয়েছে। নেতানিয়াহু ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, লেবাননের কিছু খ্রিষ্টান গ্রাম ইসরাইলের সাথে যুক্ত হতে চেয়েছে। কিন্তু লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের ১৫টি খ্রিষ্টান গ্রামের কর্মকর্তারা এক বিবৃতিতে এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গাজায় থামছে না ইসরাইলি হামলা, নতুন করে ৩ জন নিহত
গাজা উপত্যকায় মঙ্গলবার ইসরাইলি হামলায় অন্তত তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ভূখণ্ডটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্কে টানাপোড়েন!
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক কি আগের মতো আছে, নাকি চিড় ধরেছে? বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি ও লেবানন যুদ্ধ ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে যখন টানাপোড়েন চরমে, তখন কেউ কেউ জল্পনা করছেন ওয়াশিংটন-তেলআবিব সম্পর্ক আর আগের অবস্থায় নেই। শুধু তাই নয়, মার্কিন প্রশাসনেরও বিরাগভাজন হয়েছে ইসরাইল। তবে কি নিজস্বার্থে ইসরাইলকে ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও নেতানিয়াহুর দাবি ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক আগের মতোই অটুট রয়েছে।

গাজায় প্রাণহানি ছাড়ালো ৭৩ হাজার; ফিলিস্তিন ও ইসরাইলে ১০০০ দিনের ক্ষত
গাজায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যকার ভয়াবহ যুদ্ধের ১০০০ দিন পূর্ণ হলো। গত বছরের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই সংঘাতের প্রভাবে গাজা উপত্যকা এখন এক বিশাল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ১০ অক্টোবর থেকে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজার ২০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি নাগরিকের ভবিষ্যৎ এখনো চরম অনিশ্চয়তার মুখে। অ্যাসোসিয়েট প্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গৃহযুদ্ধের আশঙ্কায় লেবানন; ইসরাইলি চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে বিশ্লেষকদের সংশয়
ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক নিরাপত্তা চুক্তিটি যুদ্ধের অবসানের চেয়ে একটি দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থাকেই বেশি উসকে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষক ও রাজনীতিবিদরা। এই চুক্তিতে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের শর্ত হিসেবে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণকে জুড়ে দেয়া হয়েছে—যা বর্তমান বাস্তবতায় প্রায় অসম্ভব একটি শর্ত। রয়টার্সের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

নির্বাচন ও দুর্নীতির মামলা; চতুর্মুখী চাপে বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু
ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু এখন তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। আগামী অক্টোবরে নির্ধারিত সাধারণ নির্বাচন তার প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে। যুদ্ধ পরিচালনা নিয়ে জনরোষ, দুর্নীতির মামলা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে নেতানিয়াহুর টিকে থাকা এখন অনিশ্চিত। আল জাজিররা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে নতুন সংকট; ইসরাইলে ভোটারদের তোপের মুখে নেতানিয়াহু
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু আগামী শরতের নির্বাচনে নিজের ক্ষমতা ধরে রাখার যে আশা করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি তা চরম নড়বড়ে করে দিয়েছে। ইসরাইলের লক্ষ্যগুলো অর্জিত হওয়ার অনেক আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ও লেবাননে যুদ্ধ শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় নেতানিয়াহুর সেই দম্ভোক্তি—‘আমরা মধ্যপ্রাচ্যের চেহারা বদলে দিচ্ছি’—এখন একেবারেই ফাঁকা বুলি মনে হচ্ছে।

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি: নেতানিয়াহুর জন্য ‘কৌশলগত পরাজয়’ বলছে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত হতে যাওয়া সমঝোতা চুক্তিকে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য একটি বড় ধরনের ‘কৌশলগত পরাজয়’ হিসেবে দেখছে দেশটির সংবাদমাধ্যম। সামরিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এক ব্যয়বহুল ও অমীমাংসিত যুদ্ধের পর ইরান আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, অন্যদিকে দেশের মাটিতে নেতানিয়াহুর গ্রহণযোগ্যতা ও অবস্থান সংকুচিত হয়েছে। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

‘ইসরাইলের জন্য ভয়াবহ চুক্তি’; ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ালেন নেতানিয়াহু
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যৌথভাবে শুরু করা যুদ্ধ ইরানের ধর্মীয় শাসকদের পতন ঘটাবে এবং নিজের নির্বাচনি পালে হাওয়া দেবে—এমনটাই বাজি ধরেছিলেন বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। কিন্তু পরিস্থিতি এখন ভিন্ন। ট্রাম্প যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তিতে সই করায় এখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গেই সরাসরি সংঘাতের পথে ইসরাইলের দীর্ঘকালীন প্রধানমন্ত্রী।

চুক্তিতে সই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের, যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংশয়
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ অবসানে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তথ্য জানালেও চুক্তির বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া উভয় দেশই জানিয়েছে, একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য আরও আলোচনা প্রয়োজন। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি নিয়ে নানা সংশয় তৈরি হয়েছে। জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার পর সেখানে আস্থা ফিরতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে এবং অনেক মৌলিক প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল, চাপে নেতানিয়াহু
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহু কাঙ্ক্ষিত চুক্তি হওয়ায় পুরো বিশ্ব যেখানে স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলছে, তখন এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসরাইল। এমনকি এ ধরনের চুক্তি তেলআবিবের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করবে বলেও মন্তব্য করছে এর সরকার ও বিরোধীদলের রাজনীতিবিদরা। এছাড়া, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চুক্তিটি আদৌ কার্যকর হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে ইসরাইলের বাসিন্দারাও। এমন পরিস্থিতিতে, রাজনীতিতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু’র অবস্থান বেশ ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির চূড়ান্ত মুহূর্তে বৈরুতে ইসরাইলি বিমান হামলা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যখন চূড়ান্ত আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই লেবাননের রাজধানী বৈরুতের শহরতলিতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। আজ (রোববার, ১৪ জুন) এই হামলার পর বৈরুতের আকাশ কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। এই হামলা এমন এক সময়ে হলো যখন ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, যা নিয়ে ইসরাইল সরকার আগে থেকেই অসন্তুষ্ট। আস্যোসিয়েট প্রেস প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।