সিম-কার্ড
জানুয়ারি থেকে এক নামে সর্বোচ্চ ৫ সিম; বেশি থাকলেও কমবে

জানুয়ারি থেকে এক নামে সর্বোচ্চ ৫ সিম; বেশি থাকলেও কমবে

দেশে ক্রমবর্ধমান অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে (Upcoming National Election) সামনে রেখে মোবাইল সিম কার্ডের সংখ্যা কমিয়ে আনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC) জানিয়েছে, এখন থেকে একজন গ্রাহকের নামে ১০টির পরিবর্তে সর্বোচ্চ ৫টি সিম কার্ড (Maximum 5 SIM cards per NID) নিবন্ধনের সীমাবদ্ধতা কার্যকর হতে যাচ্ছে।

ই-সিম কী, যেসব ফোনে ব্যবহার করা যাবে

ই-সিম কী, যেসব ফোনে ব্যবহার করা যাবে

ই-সিম হলো ফোনে ইনস্টল করা এক ধরনের ভার্চুয়াল সিম, যার পূর্ণ নাম এমবেডেড সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি মডিউল। এটি ফিজিক্যাল সিম কার্ডের মতো নয়। একবার ই-সিম সক্রিয় করলে কল, মেসেজ ও ডেটা ব্যবহার করা যায়, তবে এটি ফোনে আলাদা করে রাখতে হয় না। ই-সিম টেলিকম অপারেটরের মাধ্যমে ওভার-দ্য-এয়ারভাবে চালু হয়।

বিশ্বে সিম কার্ড যেভাবে আসলো

বিশ্বে সিম কার্ড যেভাবে আসলো

জার্মান ভিত্তিক কোম্পানি জিৎসেক অ্যান্ড ডেভ্রিয়েন্ট ১৯৯১ সালে প্রথম আবিষ্কার করে সিম কার্ড বা সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিফিকেশন মডিউল (এসআইএম)। জার্মানির মিউনিখ শহরে প্রতিষ্ঠানটির সদর দফতর ছিল। প্রতিষ্ঠানটি সিম কার্ড তৈরি করলেও প্রতিষ্ঠানের কে বা কারা এই যুগান্তাকারী আবিষ্কারের সাথে জড়িত ছিল তা জানা যায়নি।