
অর্ধশত কোটি টাকা খরচ; বছর ঘুরতেই ভাঙনের আতঙ্কে খোয়াইপাড়ের মানুষ
প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ হচ্ছে খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নে। কিন্তু বর্ষা এলেই সেই বাঁধে দেখা দেয় ভাঙন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, মাছের ঘের ও সড়ক। আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটে নদীতীরের মানুষের। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য বলছে, গত অর্থবছরেই নদীর বাঁধ উন্নয়নে খরচ হয়েছে অর্ধশত কোটি টাকার বেশি। স্থানীয়দের প্রশ্ন, এত টাকা খরচের পরও কেন স্বস্তি ফিরছে না জনমনে?

হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর বাঁধে আবারও ভাঙন, লোকালয়ে ঢুকছে পানি
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধে আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। দেড় মাসের ব্যবধানে একই স্থানে নতুন করে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় নদী তীরবর্তী এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে ২৫ গ্রামের বেশি প্লাবিত; অবৈধ বালু উত্তোলনকে দায়ী স্থানীয়দের
হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে অন্তত ২৫টির বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। আকস্মিক এ ঘটনায় রাতের আঁধারেই পরিবার-পরিজন ও গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে হয় হাজারও মানুষকে।

খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জে ২৫ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি ৩০ হাজার মানুষ
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে অন্তত ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। শিশু-বৃদ্ধসহ গৃহপালিত পশুপাখি নিয়ে সীমাহীন ভোগান্তিতে পানিবন্দি পরিবারগুলো।

বর্ষায় হবিগঞ্জবাসীর আতঙ্ক খোয়াই নদী
শহর থেকে অন্তত ১৫ ফুট উঁচুতে নদীর তলদেশ। সেই সাথে দুর্বল প্রতিরক্ষা বাঁধ। যে কারণে প্রতি বছর বর্ষায় হবিগঞ্জবাসীর আতঙ্ক হয়ে ওঠে খোয়াই নদী। উজানে ভারি বৃষ্টি হলেই খোয়াইর রুদ্ররূপে নির্ঘুম রাত কাটে ৫ উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের।

খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙন, রুদ্ররূপে কুশিয়ারা
হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর পানি বিপদসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার ওপরে ওঠায় শহরের জালালাবাদ এলাকায় প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। তবে এটি অস্থায়ী বাঁধ হওয়ায় বড় ধরণের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।

হবিগঞ্জের খরস্রোতা খোয়াই নদী এখন মৃতপ্রায়
দখল-দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে একসময়ের খরস্রোতা খোয়াই নদী এখন মৃতপ্রায়। পলি পড়ে ও চর জেগে নদীকেন্দ্রীক বাণিজ্য নষ্টের পাশাপাশি হুমকির মুখে জেলার কৃষি অর্থনীতি।