
ইরান যুদ্ধে সহায়তা না করায় ন্যাটো থেকে বের হওয়ার বিষয়ে ভাবছেন ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধে সহায়তা না করায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো থেকে বের হয়ে যাওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন ট্রাম্প। তবে ট্রাম্প চাইলেই তা বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। আইন অনুযায়ী তাকে সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন পেতে হবে। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কংগ্রেসের অনুমোদনের খুব একটা ধার ধারেন না ট্রাম্প। কংগ্রেসকে উপেক্ষা করেই তিনি অনেক বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন দেখার বিষয় ন্যাটো জোট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কি হয়। বিস্তারিত জানাচ্ছেন তানভীর জনি।

ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন ট্রাম্প
ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেয়ার বিষয়টি ‘গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

আমি শান্তির দূত, ভারত-পাকিস্তানসহ ‘আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি’: ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি চান তার লিগ্যাসি এক বড় শান্তির দূত হিসেবে গড়ে উঠুক। সৌদি-সমর্থিত ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এফআইআই) প্রাইঅরিটি সামিটে মায়ামিতে দেয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তিনি গত বছর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার সংঘাতসহ আটটি যুদ্ধ থামাতে সহায়তা করেছেন। তাই তিনি বিশ্বাস করেন তিনি শান্তির দূত।ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ন্যাটো মিত্রদের জন্য ইরানের সক্ষমতা ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে: মার্ক রুটে
ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে ব্রাসেলসে ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে বলেছেন, ইরানের সক্ষমতা জোটভুক্ত দেশগুলোর জন্য ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরানের সঙ্গে ‘সমঝোতায়’ সহায়তা করেনি ন্যাটো, ট্রাম্পের ক্ষোভ
ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় কোনো সহায়তা না করার অভিযোগ তুলে নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অরগানাইজেশনের (ন্যাটো) দেশগুলোর ওপর ক্ষোভ ঝেরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিডলইস্টআই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা, হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ট্রাম্প-স্টারমারের ঐকমত্য
নতুন মাত্রা পেয়েছে মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা। হরমুজ প্রণালি দ্রুত উন্মুক্ত করার বিষয়ে একমত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। একই বিষয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করছে ন্যাটো।

ইরান যুদ্ধে না সাড়া দেয়ায় ন্যাটো মিত্রদের ‘কাপুরুষ’ বললেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটো সামরিক জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ব্যাপক সমালোচনা করে তাদের ‘কাপুরুষ’ বলে অভিহিত করেছেন। ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে ব্যর্থ হওয়া এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনা মোতায়েনের আহ্বান জানানোর পর তা না করায় তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

ইরানি হামলার পর তেহরান-বৈরুতে ইসরাইলের পাল্টা হামলা
যুদ্ধের ১৮তম দিনেও ইরান-ইসরাইল হামলা-পাল্টা হামলায় উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য। ইরানের হামলার পর তেহরান ও বৈরুতে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে ইসরাইল। এর আগে, গতকাল (সোমবার, ১৬ মার্চ) দিবাগত রাতে তেল আবিবসহ ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানি সশস্ত্র বাহিনী। ড্রোন হামলা হয়েছে উপসাগরীয় দেশ আরব আমিরাতের জ্বালানি অবকাঠামো ও ইরাকে মার্কিন দূতাবাস-সেনা ঘাঁটিতে। এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অভিযানে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানিসহ ন্যাটোভুক্ত দেশের ওপর চটেছেন ট্রাম্প। আর মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যতের প্রশ্নে উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের পক্ষে অবস্থান নেয়ার আহ্বান তেহরানের।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলা ‘ন্যাটোর যুদ্ধ নয়’: ব্রিটিশ মন্ত্রী
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপকে ‘ন্যাটোর যুদ্ধ নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের মন্ত্রী প্যাট ম্যাকফ্যাডেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান সংঘাতকে ন্যাটো জোটের সামরিক অভিযানের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা ঠিক হবে না। এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ পদক্ষেপ।

ইরান থেকে ছোড়া তৃতীয় ক্ষেপণাস্ত্রের কথা নিশ্চিত করছে তুরুস্ক
তুরুস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে তুরস্কের আকাশসীমায় ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। আল জাজিরার সংবাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

তুরস্কে ন্যাটো রাডার ঘাঁটির কাছে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন
তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে ন্যাটোর একটি রাডার ঘাঁটির কাছে মার্কিন নির্মিত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হচ্ছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন এ তথ্য উঠে এসেছে।

আফগান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যে মিত্রদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
২০ বছরের মার্কিন-আফগান যুদ্ধে ন্যাটো সৈন্যরা সম্মুখ সারি এড়িয়ে নিরাপদ দূরত্বে ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র কখনো বিপদে পড়লে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো পাশে দাঁড়াবে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। প্রায় সাড়ে ৩ হাজার সেনা নিহতের পরও এভাবে খাটো করে কথা বলায় নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীসহ মিত্র দেশগুলোর নেতারা। উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুদ্ধ ফেরত সেনারাও। এমনকি ট্রাম্পকে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও মনে করছেন অনেকে।