
ক্ষমতার সিঁড়ি যখন বিজেপি: যেভাবে ‘দিদি’ মমতাসহ ৬ মুখ্যমন্ত্রীর পতন
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলায় তার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে এটি এক ঐতিহাসিক পরিহাস। কারণ ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর বিজেপির হাত ধরেই প্রথম নির্বাচনি বৈতরণি পার হয়েছিলেন মমতা। তবে মমতা একা নন, ভারতের অন্তত ছয়জন প্রভাবশালী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির সঙ্গে জোট করে ক্ষমতায় আরোহণ করলেও, শেষ পর্যন্ত সেই বিজেপির হাতেই ক্ষমতা হারিয়েছেন।

'এক দেশ, এক নির্বাচন' বাস্তবায়নে তোড়জোড় মোদি সরকারের
কংগ্রেসসহ বেশ কয়েকটি বিরোধী দলের জোরালো আপত্তি সত্ত্বেও 'এক দেশ, এক নির্বাচন' ব্যবস্থা বাস্তবায়নে তোড়জোড় চালাচ্ছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরও বিরোধিতা অব্যাহত থাকায়, শেষ পর্যন্ত কীভাবে এটি বাস্তবায়ন হবে তা দেখার অপেক্ষায় আছে ভারতবাসী। হাজারও শঙ্কার মধ্যেও বিজেপি জোর দিয়ে বলছে, চলতি সরকারের মেয়াদেই বাস্তবায়ন করা হবে 'এক দেশ, এক নির্বাচন' নীতি। যদিও এর জন্য সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন এখনও জোগাড় করতে পারেনি ক্ষমতাসীনরা।

জনপ্রিয়তার পারদ নিচে নেমেছে বিজেপির
এবারের লোকসভা নির্বাচনে অনেকটা মুখ থুবড়ে পড়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি-বিজেপির জনপ্রিয়তা। গেলবারের তুলনায় এবার ৩৭ শতাংশ জনসমর্থন হারিয়েছে দলটি। নিরুঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়ে জোট দলগুলোর সঙ্গে এক হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিজেপি। এই ৫ বছরে কেনো এতো বিপুল সংখ্যক জনগণের সমর্থন হারিয়েছে মোদি সরকার?

বুথ ফেরত জরিপে এগিয়ে বিজেপি, ভারতের পুঁজিবাজারে রেকর্ড সূচক
বুথ ফেরত সমীক্ষায় আভাস মিলেছে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশটির পুঁজিবাজারে। এতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে ভারতের প্রধান দুটি পুঁজিবাজারের সূচক।