হালাল
ইসলামে প্যাসিভ ইনকাম কি বৈধ? জেনে নিন ৮ শরিয়াহসম্মত উপার্জনের উপায়

ইসলামে প্যাসিভ ইনকাম কি বৈধ? জেনে নিন ৮ শরিয়াহসম্মত উপার্জনের উপায়

প্রতিদিন নিয়মিত শ্রম না দিয়েও শরিয়াহসম্মত পদ্ধতিতে সম্পদ ও মেধার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে আয় করাকে প্যাসিভ ইনকাম (Passive Income in Islam) বলা হয়। ইসলামে ব্যবসা ও সম্পদ বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করা হলেও উপার্জন অবশ্যই হালাল ও সুদমুক্ত হওয়া আবশ্যক। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২৭৫) (Halal Passive Income Ways in Islam & Islamic Finance Rules)।

কোরবানির পশুর কোন অংশ খাওয়া নিষেধ: ইসলাম ও হাদিসের আলোকে নিষিদ্ধ ৭টি জিনিস

কোরবানির পশুর কোন অংশ খাওয়া নিষেধ: ইসলাম ও হাদিসের আলোকে নিষিদ্ধ ৭টি জিনিস

পবিত্র ঈদুল আজহায় (Eid-ul-Adha) মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে সামর্থ্যবান মুসলমানেরা পশু কোরবানি করে থাকেন। ইসলামে জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ ফজরের পর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকদের জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব (Wajib)। কোরবানির পশুর গোশত খাওয়া এবং তা আত্মীয়-স্বজন ও গরিবদের মাঝে বণ্টন করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ হলেও, পশুর (Forbidden Parts of Qurbani Animal) সব অংশ খাওয়া ইসলামে বৈধ নয়।

যাদের কোরবানি কবুল হয় না:  কোরআন ও হাদিসের আলোকে যে ৩ শ্রেণির মানুষ

যাদের কোরবানি কবুল হয় না: কোরআন ও হাদিসের আলোকে যে ৩ শ্রেণির মানুষ

পবিত্র ঈদুল আজহায় (Eid-ul-Adha) নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক, প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ও স্বাভাবিক জ্ঞানসম্পন্ন মুসলমানের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব (Wajib)। শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী, কারও কাছে যদি সাড়ে ৭ ভরি সোনা বা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা অথবা এর সমপরিমাণ নগদ টাকা বা ব্যবসায়িক সম্পদ থাকে, তবে তার ওপর কোরবানি (Whose Qurbani is Not Accepted) আবশ্যক।

রিজিক বৃদ্ধির ৫টি কার্যকরী আমল

রিজিক বৃদ্ধির ৫টি কার্যকরী আমল

মানুষের জীবনে সুখ, শান্তি এবং সচ্ছলতা নির্ভর করে উত্তম রিজিকের ওপর। সবাই চায় তার জীবনে প্রাচুর্য আসুক এবং অভাব দূর হোক। ইসলামে প্রাচুর্যতাকে নিষেধ করা হয়নি, বরং হালাল পথে ধনাঢ্য হওয়ার উৎসাহিত করা হয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে এমন কিছু আমল রয়েছে, যা নিয়মিত করলে মহান আল্লাহ অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিকের (Provision/Sustenance) ব্যবস্থা করে দেন।

তওবা করলেই কি হারাম সম্পদ হালাল হয়?

তওবা করলেই কি হারাম সম্পদ হালাল হয়?

মানুষ নানা কারণে জীবনে ভুল করে—কখনও টাকার লোভে, কখনও আবার পরিস্থিতির চাপে এমন উপার্জনে জড়িয়ে পড়ে যা আল্লাহর কাছে হারাম (Haram) ও অপবিত্র। যখন হৃদয় নরম হয় এবং মুমিন হিসেবে ইমান (Iman) জাগ্রত হয়, তখন মনে প্রথম প্রশ্ন আসে: ‘এই হারাম সম্পদ থেকে মুক্তির শরয়ী পদ্ধতি (Shariah Method) কী? শুধু মুখে তওবা (Tawbah) করলেই কি সব দায়মুক্তি হবে?’

যে দোয়ায় বাড়বে রিজিক

যে দোয়ায় বাড়বে রিজিক

দুনিয়ার জীবনে আল্লাহর দেয়া সব ধরনের জীবন-উপকরণ ও নেয়ামতকে রিজিক বলা হয়। রিজিক শুধু খাবার-পানীয় নয়, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষাসহ জীবনে টিকে থাকার অন্যান্য সহায়ক মাধ্যম ও সুবিধাগুলোও রিজিক।