জানান, লাইনে দাঁড়িয়েই ভোট দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে বাড়তি সুবিধা নেননি। এছাড়াও, ২০১৬ সালে ৮২ হাজার ভোট পাওয়ার রেকর্ডও এবার ছাড়িয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিকে, নির্বাচনি বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’র চেয়ারম্যান ও নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের গ্রেপ্তার নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘সকলেরই আইন মেনে চলা উচিত। উনি যেটা করেছেন সেটা গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকারক। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী নিজেও যদি এই বুথ ছেড়ে অন্য জায়গায় ঘোরাফেরা করেন সেটাও নির্বাচনি আইন বিরুদ্ধ হবে। সেক্ষেত্রে তাকেও পুলিশ আটক করতে পারে।’





