একই সঙ্গে বহিষ্কৃত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আরও চার শিক্ষার্থীকে শোকজ করার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে।
এক বছরের জন্য বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের রাসেল আহমেদ ও ফয়সাল আহমেদ এবং স্থাপত্য বিভাগের মো. শোয়েব উল হক, মাহমুদ হাসান ও আবদুল্লাহ তাইয়্যেব তকি।
শোকজের জন্য চিহ্নিত চার শিক্ষার্থী হলেন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিই) বিভাগের ফয়সাল ইকবাল হিরন ও ঋতু সরকার এবং স্থাপত্য বিভাগের ইব্রাহিম খলিল ও রিয়াদ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে শাস্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। চলতি মাসে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৭তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় ৭৭.২৭ নম্বর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এসব শাস্তি অনুমোদন করা হয়। শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে মা-বাবাসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে মুচলেকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্র থেকে জানা গেছে, গত ২৪ আগস্ট সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩-এর ষষ্ঠ তলায় ডিন অফিসের একটি কক্ষে আইসিই বিভাগের দুই শিক্ষার্থীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখার অভিযোগ তোলেন অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাদের জিম্মি করে একজনকে মারধর, জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ, ৫০ হাজার টাকা দাবি এবং মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ হিরনের অভিযোগ, তাদের দুজনকে কক্ষের বাইরে থেকে আটকে রাখা হয়। তাকে জোর করে ভিডিওতে কথা বলতে বাধ্য করা হয় এবং মারধর করা হয়। ঘটনার পর ওই রাতেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বডিকে বিষয়টি জানান এবং লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
অভিযোগে তিনি ৫০ হাজার টাকা দাবি এবং তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। তার দেয়া অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুসারে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।





