১৮৪৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্যোগে ‘কুমিল্লা চ্যারিটেবল ডিসপেনসারি’ হিসেবে যাত্রা শুরু করে এই হাসপাতাল। স্বাধীনতার পর ৫০ শয্যা থেকে ধাপে ধাপে ১০০ শয্যায় উন্নীত হলেও রোগীর তুলনায় তা একেবারেই অপ্রতুল।
শয্যা সংকট তীব্র, চিকিৎসকদের জন্য নেই পর্যাপ্ত কক্ষ। পুরনো অবকাঠামো হওয়ায় বেশিরভাগ কক্ষেই নেই পর্যাপ্ত আলো-বাতাস। নির্ধারিত তাপমাত্রায় ওষুধ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। কোথাও খসে পড়ছে পলেস্তরা।
বর্ষা মৌসুমে হাসপাতালের নিচতলায় জলাবদ্ধতার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া নারী কর্মীরা জানান, টয়লেট স্বল্পতায় বিপাকে পড়েন তারা।
হাসপাতালের আধুনিকায়নের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে ধাপে ধাপে উন্নয়ন কাজ শুরু হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।
কুমিল্লা জেনারেল হসপিটালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার, ডা. আবদুল করিম খন্দকার বলেন, ‘প্রচুর রোগী আসে, বিশেষ করে আউটডোরে বেশি রোগী আসে। প্রতিদিন প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার। সেই তুলনায় আমাদের অবকাঠামো, রিসোর্স আর লোকবলের সমস্যা আছে। তবে কাজ চলছে আশা করি শিগগিরই হয়তো ভালো খবর পাবো।’
আরও পড়ুন:
কুমিল্লা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রেজা মো. সারোয়ার আকবর বলেন, ‘কোথায় করা যায় এমন আমরা মোটামুটি একটা খসড়া করে পাঠিয়েছি। যেটা মন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে পরিবর্তী কার্যক্রম মন্ত্রণালয় গ্রহণ করবে।’
এই হাসপাতালটিতে প্রতিদিন বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন প্রায় দুই হাজার রোগী।





