ঈশ্বরদীর চরাঞ্চলে গড়ে উঠেছে মহিষের বাথান, স্বাবলম্বী হচ্ছেন খামারিরা

ঈশ্বরদীর চরাঞ্চলে গড়ে উঠেছে মহিষের বাথান
এখন জনপদে
0

ঈশ্বরদীর দুর্গম চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ সবুজ তৃণভূমিতে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক মহিষের বাথান। মহিষ পালন করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন বাথান মালিকরা। মহিষের দুধ বিক্রির পাশাপাশি নিজেদের পুষ্টির চাহিদাও মেটাচ্ছেন তারা। তবে চরাঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় দুধের দাম পাচ্ছেন না মালিকরা।

শত শত মহিষের দুধ দোয়ানো ও খাবার দেয়ায় ব্যস্ত সময় পর করছেন পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার চরগরগড়ির রাখালরা। রাখাল মিন্টু হোসেন মহিষ লালন পালন করেন। সরকারি সহায়তা ও দুধের ন্যায্যমূল্য পেলে উপকৃত হবেন বলে জানান তিনি।

মিন্টু হোসেন বলেন, ‘অনেক টাকা লাগছে বর্তমানে মহিষ পালনে। আর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা করছে না।’

তবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে বড় বাধা চরাঞ্চলের বেহাল সড়ক ব্যবস্থা। যার ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে দুধ কিনতে আসা ব্যবসায়ীরা সময়মতো বাথানে পৌঁছাতে পারেন না। উৎপাদিত দুধ শহরে পৌঁছাতে দেরি হয়। এতে দুধ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হন বাথান মালিকরা। তাই সড়ক ব্যবস্থা উন্নত করার দাবি তাদের।

আরও পড়ুন:

বাথান মালিকরা জানান, যাতায়াতের জন্য রাস্তাটি হলে আমাদের জন্য খুবি ভালো হয়। এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে আমাদের প্রায় সময় সমস্যায় পরতে হয়।

তবে মহিষ পালনে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

পাবনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘একটা প্রকল্পের মাধ্যমে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আর ঘাস চাষের জন্যও তাদেরকে শ্রমিক মজুরি হিসেবে তাদেরকে সহযোগিতা করা হচ্ছে। এছাড়াও পুরো পাবনা জেলায় বিনামূল্যে প্রত্যেকটি মহিষকে খুড়া রোগের জন্য ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে।’

চরাঞ্চলে বর্তমানে অর্ধশতাধিক মহিষের বাথান রয়েছে। প্রতিটি বাথানে রয়েছে ২০০ থেকে ৪০০ মহিষ। সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে মহিষ পালন ও দুধ উৎপাদনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হবার আশা স্থানীয়দের।

জেআর