ঈদযাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভোলার লঞ্চঘাটে কোস্ট গার্ডের টহল

কোস্ট গার্ডের তল্লাশি অভিযান
এখন জনপদে
0

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নৌপথে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভোলার বিভিন্ন লঞ্চঘাটে বিশেষ টহল জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন। অতিরিক্ত যাত্রী বহন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, অবৈধ নৌযান চলাচল ও নদীপথে চোরাচালান প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।

আজ (সোমবার, ১৬ মার্চ) বেলা ১১টায় ভোলায় কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন অপারেশন অফিসার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার শওকত আহমেদ বলেন, ‘ভোলা থেকে ঢাকা, লক্ষ্মীপুর ও বরিশাল নৌরুটে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী চলাচল করে থাকেন।

ঈদ ঘনিয়ে আসায় এসব নৌপথে যাত্রীর চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। ফলে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ভোলার বিভিন্ন লঞ্চঘাটে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, কোস্ট গার্ডের জাহাজ ও উচ্চগতির বোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বেশি ভাড়া আদায় এবং নদীপথে অবৈধ নৌযান চলাচল বন্ধে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।

কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন ভোলার ইলিশা, খেয়াঘাট, ভেদুরিয়া, নাজিরপুর, চৌমূহনী, লক্ষীপুরের মজুচৌধুরীর হাট, আলেকজান্ডার, বরিশালের ডিসি ঘাট, উলানীয়া, পুরাতন হিজলা, পটুয়াখালীর আলীপুর, পটুয়াখালী, কালাপাড়া, বাউশিয়া, নোয়াখালীর তমুরুদ্দিন, রাম নেওয়াজ এবং বরগুনা জেলার কাঠছিড়াসহ পাথরঘাটার গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চ, খেয়া ও ফেরি ঘাট সমূহে জননিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষ টহল, জনসচেতনতামূলক মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, সন্দেহজনক ব্যক্তি ও নৌযান সমূহে তল্লাশি এবং যাত্রীদের ব্যাগ স্ক্যানসহ অন্যান্য নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে পাশাপাশি দুষ্কৃতিকারীদের যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রতিটি সদস্য সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। এর ফলে নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।

তিনি আরও বলেন, ‘কোস্ট গার্ডের এ কার্যক্রম দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত আছে এবং ঈদ উল-ফিতর পরবর্তী যাত্রীসাধারণের নৌ যাত্রা নিরাপদ রাখতে উক্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে।’

এদিকে কোস্ট গার্ডের এমন উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ঘরমুখো যাত্রীরা। তারা জানান, ঈদের সময় নৌপথে অতিরিক্ত ভিড় ও নানা অনিয়ম দেখা যায়। কোস্ট গার্ডের কঠোর নজরদারি থাকলে যাত্রা আরও নিরাপদ হবে বলে আশা করছেন তারা।

এএইচ