দখল-দূষণে বিলীনের পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার টাউন খাল

আবর্জনায় ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে খালগুলো
এখন জনপদে
0

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাসের মতোই দখল-দূষণের শিকার ঐতিহ্যবাহী টাউন খাল। অযত্ন-অবহেলায় বিলীনের পথে জেলার অন্য খালগুলোও। খালের পাড়ঘেঁষে অবৈধ স্থাপনা আর আবর্জনা ফেলার কারণে বেশিরভাগ খালই এখন ভাগাড়, কোনোটি রূপ নিয়েছে সরু ড্রেনে। এ অবস্থায় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র রক্ষায় খালগুলো খননের মাধ্যমে পুনরুদ্ধারের দাবি স্থানীয়দের।

জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্রিটিশ শাসনামলে খনন করা হয়েছিল টাউন খাল। শহরের জগৎবাজার থেকে গোকর্ণ ঘাট পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার লম্বা খালটির দুদিকই মিশেছে তিতাস নদীতে।

তবে কালের পরিক্রমায় ৮০ ফুট প্রস্থের এই টাউন খাল পরিণত হয়েছে সরু ড্রেনে। খালের পাড় দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ আর বাসাবাড়ি ও হোটেল-রোস্তোরাঁর আবর্জনা ফেলা হচ্ছে দেদারসে। এতে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই তৈরি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।

এছাড়া খালে দূষণের ফলে হুমকিতে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র। এ অবস্থায় সরকারের খাল খনন কর্মসূচিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খালগুলো অন্তর্ভুক্ত করে পুনরুদ্ধারের দাবি স্থানীয়দের।

আরও পড়ুন:

জেলার সব খাল খননের লক্ষ্যে ব্যয় নির্ধারণ কাজ চলমান জানিয়ে শিগগিরই কিছু খালের খনন কাজ শেষ হবে বলে আশা জেলা প্রশাসকের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, ‘খালগুলোকে চিহ্নিত করে আমি পানি উন্ন্যন মন্ত্রনালয়কে দিয়ে দেয়া হয়েছে। তারা আমাদের জানাবে খালগুলো পুনঃখনন করতে কত টাকা প্রয়োজন আছে। সরকারিভাবে আমাদের কাছ থেকে দুটো করে খালে নাম চেয়েছে প্রতিটি উপজেলা ও পৌরসভা থেকে সেটা আমরা এরই মধ্যে দিয়ে দিয়েছি। খালগুলোর সংস্কারের দ্রুত শুরু হবে আশা করছি।’

কাগজে-কলমে ৬৮টি খাল চিহ্নিত করা গেলেও প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। খননের মাধ্যমে খালগুলোতে আবারও স্বাভাবিক হবে পানি প্রবাহ, সচল হবে বন্ধ নৌপথ- এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

এএম