নিহত ঠাকুর চাঁন মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি জনার্দন এর ছেলে। স্থানীয়রা জানান, রাতে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে পিতা-পুত্র নদীর ধারে বেঁধে রাখা মাছ ধরার নৌকা দেখতে যান। এসময় বজ্রপাতে তারা আহত হন। ঘটনাস্থলেই ঠাকুর চাঁনের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন:
এদিকে, রবিউল হোসেন নামের আরেক যুবক নিজের তরমুজ খেত পাহারারত অবস্থায় বজ্রপাতের শব্দ ও আলোর প্রভাবে আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল করিম বলেন, ‘বাবা ও ছেলেকে বজ্রপাতের পর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আমরা ছেলেকে মৃত ঘোষণা করেছি। তারপর তার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত আছেন।’





