পঞ্চগড়ে বিকল্প সড়ক আর সেতু নির্মাণ ঘিরে বাড়ছে বিড়ম্বনা; ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তিতে নগরবাসী
এখন জনপদে
0

পঞ্চগড় শহরে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ভারী যানবাহনের চাপ। শহরে প্রবেশের একটিমাত্র পথ হওয়ায় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলেই সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। একটি বিকল্প সড়ক আর সেতু দাবির আশ্বাসে কেটেছে অনেক বছর। নির্বাচনের আগেও আলোচনায় স্থান পায় বাইপাস সড়ক ও সেতু নির্মাণের বিষয়টি।

পঞ্চগড় শহরে প্রতিদিন বাড়ছে ভারি যানবাহনের চাপ। বালি, পাথর সরবরাহসহ দৈনিক কয়েক হাজার ভারি যানবাহন ছুটে যায় এ শহরের বুক চিরে।

একটি মাত্র প্রবেশপথ হওয়ায় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলেই দীর্ঘ যানজট হয় এখানে। সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেন এ পথে। একটি বিকল্প সড়ক আর সেতু দীর্ঘদিনের দাবি এ জনপদের মানুষের। বিকল্প একটা রাস্তা বা একটি সেতু করা যায় তাহলে অনেকটা শহরের যানজট কমবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

শহরের পাশ দিয়ে মীরগড়ে বিকল্প করতোয়া সেতু নির্মাণ করে ভজনপুর পর্যন্ত বিকল্প সড়ক উন্নয়ন করে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয় বার বার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখেনি।

আরও পড়ুন:

এদিকে, করতোয়া নদীর উপর সেতু নির্মাণ না হওয়ায় কাঠের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচল করছে মানুষ। বর্ষায় এলে ঝুঁকি আরও বাড়ে। আর আশ্বাস নয়, এবার সেতুর বাস্তবায়ন দেখতে চান মানুষ। প্রতিনিয়ত ভোগান্তির মধ্যে পরতে হচ্ছে তার পরও সেতুটি পাচ্ছে না বলে জানান চলাচলকারীরা।

শিগগিরই বিকল্প করতোয়া সেতু নির্মাণ ও সড়ক উন্নয়নের জন্য সংশোধিত ডিপিপি পাঠাবে বলে জানায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

পঞ্চগড় সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোতাহার আলী বলেন, ‘এখানকার সেতুটি নির্মাণ করার জন্য আমরা একটি ডিপিপি পাঠিয়েছি মন্ত্রণালয়ে। ২৫০ মিটার ব্রিজের জন্য ১৮০ কোটি টাকার একটি বাজেটের জন্য পাঠানো হয়েছে। যদি ব্রিজটি নির্মাণ করা যায় তাহলে ভারী গাড়িগুলো বিকল্প পথ ব্যবহার করতে পারবে।’

প্রস্তাবিত বিকল্প পথে ভারি যানবাহন পরিবহণ করা গেলে একদিকে পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধার দূরত্ব যেমন কমবে তেমনি কমবে যানবাহনের চাপ। কমবে দুর্ঘটনা, নিরাপদ হবে সড়ক এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

জেআর