নিহত সোহান ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের চিকনমাটি গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে। সে দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি মুদি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিল।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোহান সেখানে একটি দোকানে কাজ করতেন। ঘটনার দিন মাগরিবের সময় তিনি দোকানের মালিকের সঙ্গে কাজ করছিলেন। এসময় হঠাৎ লোডশেডিং হলে দোকানের মালিক মোমবাতি আনতে পেছনের দিকে গেলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা অতর্কিতভাবে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই সোহানের মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা দেলোয়ার হোসেন ও মানিক জানান, বহু কষ্টে ধার-দেনা করে সোহানকে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠানো হয়েছিল। হঠাৎ তার মৃত্যুর সংবাদে পরিবার শোকে ভেঙে পড়েছে। তারা বলেন, কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও গুলিবিদ্ধ হয়েই তার মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছেন।
আরও পড়ুন:
নিহতের মামা মহরম আলী মিঠু বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে আবেদন করছি, যেন দ্রুত আমাদের সোহানের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়।’
সোহানের বাবা দুলাল হোসেন ও মা সাহিনুর বেগম বলেন, ‘ছেলের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অনেক কষ্টে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। আজ তার মৃত্যুর খবর শুনতে হলো। আমরা আমাদের ছেলেকে আর জীবিত ফিরে পাবো না, তবে তার মরদেহ যেন দেশে এনে নিজের হাতে দাফন করতে পারি, সেই ব্যবস্থা চাই।’
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ইসরাইল হোসেন বলেন, ‘পরিবারটি অত্যন্ত অসহায়। তাদের একমাত্র স্বপ্ন ছিল সোহানকে ঘিরে। এখন তার মৃত্যুর খবরে পুরো এলাকা শোকাহত। সরকারের কাছে দাবি, দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হোক।’





