জামালপুরের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল জুড়ে চাষ হচ্ছে তুলার । গাছে গাছে তারার মত ফুটে আছে সাদা তুলা।
চলতি বছর ৫ বিঘা জমিতে তুলা চাষ করেন হুমায়ুন কবির। উৎপাদন ভালো হলেও বৈরি আবহাওয়ায় তুলা উৎপাদন কম হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি। তার মত অনেক কৃষকেরই এমন শঙ্কা। এরই মধ্যে মাঠ থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে তুলা। পুরুষের পাশাপাশি কাজ করছেন নারী শ্রমিকরাও।
চাষিরা জানান, শ্রমিকের মজুরি বেশি, ফলন কম। সার, বিষের দামও বেশি। এভাবে যদি সব কিছুর দাম বাড়তি থাকে আর তুলার দাম যদি কম থাকে, তাহলে আর বাড়তি আবাদ করা সম্ভব না কোনো কিছুতেই।
আরও পড়ুন:
তুলার বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি মিলে প্রতি বিঘা তুলা উৎপাদনে খরচ বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। প্রতি মণ তুলা বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত।
তুলা চাষিরা জানান, গতবার ৪ হাজার টাকা বিক্রি করলেও, এবার আরও কমছে। তুলাও কমে গেছে, দামও কমে গেছে।
তবে উৎপাদন ভালো হওয়ায় খরচ মিটিয়ে চাষিরা লাভবান হবেন বলে জানিয়েছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড।
জামালপুর তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসরাইল হোসেন বলেন, ‘চাষি র্যালি, চাষি প্রশিক্ষণ, চাষি সমাবেশের মাধ্যমে এবং দলীয় আলোচনার মাধ্যমে আমরা তুলা চাষ বৃদ্ধি করতে পারবো বলে আশা করি। আগামীতে তুলা চাষ বৃদ্ধি পাবে, দেশের উন্নয়ন ঘটবে এবং চাষিদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।’
২০০৬ সাল থেকে জামালপুরে তুলা চাষ শুরু হয়। চলতি বছর জেলায় ৩শ ১২ হেক্টর জমিতে তুলা চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার টন। যার বাজার ৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ।





