রাবিহ খ্রেইস। দক্ষিণ লেবাননের একটি ওয়ার্কশপে কাজ করে সংসার চালান ৪৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তি। তবে লেবাননে ইসরাইলি হামলায় থমকে গেছে তার জীবন।
জীবন বাঁচাতে বৈরুতে রাস্তার মাঝে একটি তাঁবুতে পরিবারসহ আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। সংঘাতের মেয়াদ দুই মাস হলেও খ্রেইসের জানা নেই- আবার কবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন তিনি।
রাবিহ খ্রেইস বলেন, মনে হয় আমিসহ আমার সন্তানেরা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। আমাদের চলার পথের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। জানি না কবে মুক্তি আসবে, কবে আমরা এই অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাব।
এসময় নিজের সন্তানদের করুণ জীবনযাপনের জন্য কষ্ট ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন খ্রেইস।
আরও পড়ুন:
খ্রেইস বলেন, যেখানে অন্য শিশুরা হেসে- খেলে বড় হচ্ছে, সেখানে আমি তাদের মুখে হাসি ফোটাতে ব্যর্থ হচ্ছি। আমার প্রশ্ন আর কতদিন যুদ্ধ চলবে? আমি যুদ্ধ থেকে মুক্তি চাই, সন্তানদের স্বাচ্ছন্দ্যে বড় করতে চাই
যুদ্ধের ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে লেবাননের অর্থনীতিতেও। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলির জমির। যুদ্ধের মাঝেও ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলো থেকে বেঁচে যাওয়া ফসল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন কৃষকরা।
কৃষকরা জানান, কৃষকদের জন্য এটা সর্বনাশ। জমিতে বাঁধাকপি চাষ করেছিলাম। সব নষ্ট হয়ে গেছে। ধনেপাতা, লেটুস, তামাকসহ অন্যান্য ফসলও বিনষ্ট হয়েছে।
গেল মার্চ থেকে লেবাননে হিজবুল্লাহ নির্মূলের অজুহাতে হামলা অব্যাহত রেখেছে আইডিএফ। এতে এখন পর্যন্ত আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।





