গতকাল (মঙ্গলবার, ১২ মে) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মুলাইদ গ্রামের হাজী কাছম আলী ফকির সুপার মার্কেটের নিউ জামালপুর গ্লাস এন্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ফেক্সিকেটর নামের দোকানের এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন; মার্কেটের মালিক হাজী কাছম আলী ফকিরের ছেলে কামাল ফকির, তার ভাগিনা সিয়াম, দোকানের ব্যবস্থাপক শাহিন, কর্মচারী শান্ত ও শ্যামল।
অভিযুক্তরা হলেন; রানা ভন্ডারি (৪০) ও তার ছোট ভাই মামুন (৩০), তারা কেওয়া গ্রামের নুরু কসাইয়ের ছেলে।
দোকান মালিক ফয়সাল আহমেদ আহমেদ জানান, রানা ভান্ডারি বিভিন্ন সময় তার দোকান থেকে থাইসহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল ক্রয় করতেন। আগেই তার কাছে টাকা পাওনা আছে। গত শনিবার রানা ভান্ডারি ৭২ হাজার টাকার থাই মালামালের ক্রয়ের জন্য আসেন। এসময় তিনি ৩০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেন।
আরও পড়ুন:
গতকাল বাকী ৪২ হাজার টাকা পরিশোধ করে পণ্য নেয়ার কথা ছিলো। বিকেলে থাই গ্লাস নিতে আসলে ৪২ হাজার টাকা চাওয়া হলেই উত্তেজিত হয়ে দোকানের কর্মচারী শ্যামলকে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীংমাসা করে দেন।
পরে রাত ৮টার দিকে রানা ভন্ডারি ও তার ভাই মামুনের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০জন একত্রিত হয়ে দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে মার্কেট মালিক কামাল ফকির ও তার ভাগিনা সিয়াম, দোকানের ম্যানেজার শাহিন ও শান্ত আহত হয়।
এসময় দোকান মালিক ফয়সালকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমেদ বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





