চসিক সূত্রে জানা যায়, নগরীতে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী (৫৯ মাস) মোট ৩ লাখ ২৮৫ জন শিশুকে টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ক্যাম্পেইন চলাকালে মোট ৩ লাখ ১৮ হাজার ১১৬ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ১০৬ শতাংশ অর্জন।
এ বিশাল কর্মযজ্ঞ সফলভাবে বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, মেডিকেল অফিসার ইনচার্জ, জোনাল মেডিকেল অফিসার, মেডিকেল অফিসার, চসিক দাতব্য চিকিৎসালয় ও নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিএইচও) ইউনিসেফ, ইপিআই টেকনিশিয়ান এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও সহযোগিতা করেন।
আরও পড়ুন:
বিশেষভাবে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী স্বাস্থ্য সহকারী, টিকাদানকর্মী, নার্স ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেছে চসিক স্বাস্থ্য বিভাগ। পাশাপাশি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সামাজিক সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
চসিক স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইপিআই সদর দপ্তর, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) চট্টগ্রাম বিভাগ এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ক্যাম্পেইনটি সফল হয়েছে।
এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আশরাফুল আমিনের তদারকির ফলে এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
চসিক স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ২১ মে থেকে নিয়মিত ইপিআই টিকাদান কার্যক্রমের পাশাপাশি হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদের টিকাদান কার্যক্রমও চলমান থাকবে।





