আজ (বৃহস্পতিবার, ২৮ মে) ঈদ পরবর্তী সময়ে যশোরের রাজারহাটে, ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে চামড়ার দাম নিয়ে তীব্র দর কষাকষি দেখা যায়। অনেকেই কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে কম দামে চামড়া বিক্রি করেছেন। এতে হতাশ মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।
সরকার ঢাকার বাইরে গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা, যা গত বছর ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। ঢাকার বাইরে সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১৫০ টাকা। তবে এ হাটে প্রতিপিস চামড়া মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা।
আর খাসির চামড়ার ক্রয়মূল্য প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, চামড়া সংরক্ষণের জন্য লবণের দাম বেশি অন্যদিকে শ্রমিকের মূল্য রয়েছে। আর ট্যানারি মালিকরা বকেয়া পরিশোধ করেনি। সব মিলিয়ে চামড়া কিনতে অনেক হিসেব করতে হচ্ছে।





