আজ (শনিবার, ৬ জুন) দুপুরে কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
কোস্টগার্ড জানায়, সমুদ্রপথে মানবপাচার রোধে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কোস্টগার্ড জাহাজ ‘মনসুর আলী’, স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট শাহপরী দ্বীপ এবং বাহারছড়া যৌথভাবে অংশ নেয়।
আরও জানানো হয়, অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি বোটকে থামার সংকেত দেয়া হলে সেটি তা অমান্য করে গভীর সমুদ্রের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে বোটটি আটক করা হয়।
আরও পড়ুন:
আটক বোটে তল্লাশি চালিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে থাকা ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয় এবং ৯ জন মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধারকৃতরা জানান, সংঘবদ্ধ পাচার চক্র উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফে এনে আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় করতো।
পরে তাদের সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের পরিকল্পনা ছিলো। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনাও পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগী, আটক বোট এবং পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানায় কোস্টগার্ড।





