আজ (বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই) এই মহড়া সম্পন্ন হয়। মহড়ার লক্ষ্য ছিলো কাল্পনিক জরুরি পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যকর সাড়া দেয়ার সক্ষমতা মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা এবং জরুরি দায়িত্বপ্রাপ্ত জনবল, সরঞ্জাম, যোগাযোগব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি যাচাই করা।
মহড়ায় একটি কাল্পনিক জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি করে প্ল্যান্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স অর্গানাইজেশন সক্রিয় করা হয়। অনুমোদিত জরুরি পরিকল্পনা অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে জরুরি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র পূর্ণাঙ্গ ভাবে কার্যকর হয় এবং বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত দল নির্ধারিত দায়িত্ব পালন শুরু করে। মহড়া চলাকালে বিশেষজ্ঞরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং কাল্পনিক ঘটনার অগ্রগতি মূল্যায়ন করেন।
আরও পড়ুন:
মহড়া শেষে এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান বলেন, ‘আজকের সফল জরুরি ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জরুরি প্রস্তুতি সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ মহড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উচ্চমানের প্রস্তুতি, কারিগরি দক্ষতা, কার্যকর নেতৃত্ব এবং জাতীয় ও স্থানীয় জরুরি সাড়া প্রদানকারী সংস্থাগুলোর সমন্বিত সক্ষমতার প্রমাণ বহন করে।’
মহড়া শেষে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং এর কারিগরি সহায়তা প্রতিষ্ঠান মহড়ার সার্বিক বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করে।
এছাড়াও স্থানীয় জেলা প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, ফায়ার সার্ভিস ও বিশেষায়িত মেডিকেল টিম মহড়ায় সরাসরি অংশ নেয়। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক হিসেবে মস্কো থেকে আসা পারমাণবিক বিশেষজ্ঞদের একটি বিশেষ প্রতিনিধিদলও এতে উপস্থিত ছিলো।
রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে গত ২৮ এপ্রিল প্রথম ইউনিটে সফলভাবে পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং শুরু হয়।





