অভিযুক্ত আমদানিকারক সর্নালী এন্টার প্রাইজ এবং পাচারে সহযোগিতা করছিল কামরুলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট শাউন সিপিং।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানায়, তাদের কাছে গোপন খবর আসে সাদা মাছ ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করে বন্দর থেকে পাচারের চেষ্টা করছে একটি চক্র। পরে বন্দরের ৩১ নাম্বার শেডে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় একটি মাছের ট্রাক তল্লাশি করা হয়।
এসময় ২৬৪ প্যাকেজ সাদা মাছের মধ্যে ১২ প্যাকেজ অবৈধ ইলিশ পাওয়া যায়। অভিযুক্ত সিঅ্যান্ডএফ ও আমদানিকারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া আটককৃত মাছ নিলাম প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানায় কাস্টমস।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি মিথ্যা ঘোষণার প্রায় কোটি টাকা মূল্যের ৫৩ কাটুন ইলিশ জব্দ করে বেনাপোল কাস্টমস। যেটি পাচারের চেষ্টা করছিল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লিংক এন্টার ন্যাশনাল এবং আমদানিকারক ছিলো জান্নাত এন্টার প্রাইজ।
জানা যায়, ধরা পড়া ইলিশটি চন্দনা ইলিশ নামে পরিচিত। দেশিয় আমদানিকারকেরা ভারতীয় কম দামের এই ইলিশ আমদানি করে। পদ্মা ইলিশ নাম ব্যবহার করে দেশে চড়া দামে বিক্রয় করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে ২০২৪ এর আগস্টের পর থেকে বেনাপোল বন্দরে পণ্য পাচার ও নানান অনিয়ম আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।





