বিজিবির মানবিক উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে আজ (বুধবার, ১৯ আগস্ট) নাফ নদীর শূন্যলাইন দিয়ে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে বিজিবির প্রতিনিধিদল তাদের টেকনাফ জেটিঘাটে নিয়ে আসে।
বিজিবি জানায়, ২০২৫ সাল থেকে ২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি জেলে অনিচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের জলসীমা অতিক্রম করে মায়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করেন। এ সময় তাদের আটক করে আরাকান আর্মি।
পরে মায়ানমারের অভ্যন্তরে নিয়ন্ত্রিত এলাকা কিংবা কারাগারে তাদের আটক রাখা হয়।
পরবর্তীতে মানবিক বিবেচনায় আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির পক্ষ থেকে আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্যোগ নেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ধাপে ধাপে জেলেদের প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়।
আরও পড়ুন:
আজ বিজিবির একটি প্রতিনিধিদল নাফ নদীর শূন্যলাইন থেকে আরাকান আর্মির কাছ থেকে মোট ২৪ জন জেলেকে গ্রহণ করে বাংলাদেশে নিয়ে আসে।’
এরই মধ্যে স্থানীয় উপজেলা প্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে ফেরত আসা জেলেদের পরিচয় যাচাইয়ের কার্যক্রম চলছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক বলেন, ‘সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। মানবিক সংকট মোকাবিলায় পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।’
ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় বিজিবি।’
তিনি বলেন, ‘বিজিবি মহাপরিচালকের ভিশন বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক- এ প্রত্যয় ধারণ করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। অবশিষ্ট আটক জেলেদেরও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’





