এ ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে মারুফ আলীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে নাটোর জেলা ছাত্রদল।
আজ (রোববার, ২৩ আগস্ট) জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ ইসলাম সৃজনের যৌথ স্বাক্ষরে তাকে এ নোটিশ দেয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, লালপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামবাসী প্রায় ৬০ বছর ধরে ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। গত ২১ আগস্ট ছিল ফাইনাল খেলা।
তবে ফাইনাল খেলায় অতিথি হিসেবে মারুফ আলীকে রাখা হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি নিজেই এলাকায় মাইকিং করে ‘১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে’ বলে ঘোষণা দেন।
স্থানীয়দের দাবি, সংঘাতের আশঙ্কা থাকলে ১৪৪ ধারা জারির এখতিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের। কিন্তু এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আদেশ জারি করা হয়নি। ফলে মারুফ আলীর মাইকিংকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় শেষ পর্যন্ত ঐতিহ্যবাহী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচটি বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে, ঘটনার পর রোববার নাটোর জেলা ছাত্রদল মারুফ আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।
নোটিশে বলা হয়, জেলা শাখার অধীন লালপুর উপজেলা ছাত্রদলের দায়িত্বশীল পদে থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কেন তার বিরুদ্ধে স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।
আগামী ২৪ আগস্টের মধ্যে জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে আলাইপুরে নাটোর জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে মারুফ আলীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।





