পাবনায় ক্লিনিকে অপারেশনের পর ১২ জনের যক্ষ্মা শনাক্তের অভিযোগ

অভিযুক্ত সেই আল-মদিনা ল্যাব অ্যান্ড হসপিটাল
এখন জনপদে
1

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার আল-মদিনা ল্যাব অ্যান্ড হসপিটালে অস্ত্রোপচারের পর ১২ জন রোগীর যক্ষ্মা শনাক্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের পাশাপাশি বেসরকারি ক্লিনিকটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

উপজেলার থানাপাড়া মহল্লার আয়েশা খাতুন নামের এক নারীকে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য আল-মদিনা ল্যাব অ্যান্ড হসপিটালে ভর্তি করানো হয়। এরপর গত ৩১ মে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন আয়েশা। তবে নির্দিষ্ট সময় পরও সিজারিয়ান অপারেশনের ক্ষতস্থান না শুকানোয় চিকিৎসকের সরপন্ন হন আয়শার পরিবার।

এক পর্যায়ে নানা পরীক্ষা-নিরিক্ষার পর ক্ষতস্থানে যক্ষ্মা শনাক্ত হয়। বর্তমানে আয়শা গাজীপুরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার চিকিৎসার খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তার পরিবারকে। অভিযোগ আছে, শুধু আয়শা নন, তার পর একই অবস্থা হয় আরও ১২ জন রোগীর, যারা সবাই একই বেসরকারি ওই হাসপাতাল থেকে অপারেশন করিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:

এই ব্যাপারে আল-মদিনা ল্যাব অ্যান্ড হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ রানা নিজের ভুল স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানান পর থেকে আমরা অপারেশন টিয়েটার নতুন করে জিবানুমুক্ত করেছি এবং বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি।’

যক্ষ্মা বিশেষজ্ঞ ক্যাপ্টেন ডা. সরওয়ার জাহান ফয়েজ (অবসরপ্রাপ্ত) বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এই দায় এড়াতে পারে না।’

ফরিদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, ডা. রাশেদুল হাসান শাওন বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুয়ায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

এসএইচ