নিহত মো. সায়েম পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের মরহুম জব্বার মৃধার ছেলে। তিনি গত দুই বছর ধরে ওই মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাগরিবের নামাজ শেষে হাওলাদার বাড়ির মো. ইউসুফ হাওলাদার মসজিদের ভেতরের থাকার রুমে সায়েমকে পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় রুমের ওপরের সিলিংয়ের সঙ্গে একটি দড়ি ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মসজিদের বারান্দায় নিয়ে এলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন:
নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, এই মৃত্যুর পেছনে রহস্য রয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দীন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল রহস্য উন্মোচিত হবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





