মানিকগঞ্জে ক্রেতা সংকট; কমেছে মুরগির দাম

মানিকগঞ্জ
মানিকগঞ্জের একটি মুরগীর দোকান
এখন জনপদে
0

মানিকগঞ্জে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা কমেছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম। বিক্রেতারা বলছেন, মাসের শুরু থেকেই মুরগির চাহিদা কম। ফলে আগের তুলনায় বিক্রিও কমেছে। তবে মুরগির দাম কমলেও গরু ও খাসির মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

আজ (বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর) মানিকগঞ্জ পৌরসভার নিমতলী মাংসের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, এক সপ্তাহ আগে উভয় ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেশি ছিল।

একই বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬৮০ টাকা দরে। আর খাসির মাংসের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা। গরু ও খাসির মাংসের দাম বেশ কিছুদিন ধরে প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানান বিক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা জানান, চাহিদা কমে যাওয়ায় মুরগি বিক্রির পরিমাণও কমেছে। বাজারে ক্রেতা কম থাকায় আগের মতো দ্রুত মুরগি বিক্রি করতে পারছেন না তারা। এর প্রভাব পড়েছে দামের ওপরও।

বিক্রেতাদের মতে, মাসের শুরুতে সাধারণত মুরগির চাহিদা বাড়লেও এবার তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। ফলে একদিকে বিক্রি কমেছে, অন্যদিকে কমেছে দামও।

ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজের মুরগি ব্যবসায়ী জনি বলেন, ‘মাসের শুরু থেকেই ব্রয়লার মুরগির চাহিদা কম। সাধারণত মাসের প্রথম সপ্তাহে মুরগির চাহিদা ভালো থাকে। এবার শুরু থেকেই বিক্রি কম। আগে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মুরগি বিক্রি হতো। এখন তা কমে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় নেমেছে।’

বাজারের গরুর মাংস বিক্রেতা সোরহাব বলেন, ‘অন্যান্য বাজারে গরুর মাংস তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি হলেও তারা কম লাভে ৬৮০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রি করছেন।’ বাজারে মুরগির পাশাপাশি গরু ও খাসির মাংস কিনতেও ক্রেতাদের দেখা যায়।

এএইচ