নিহত শিশু মাহিদা ওই গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী মোজাম্মেল মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করতো। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাহিদুলকে (১৭) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। জাহিদুল সম্পর্কে মাহিদার চাচা হন।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে জানান, শুক্রবার দুপুরে জুমা নামাজের পর মাহিদাকে পানি খাওয়ানোর কথা বলে ঘরে নিয়ে যায় চাচা জাহিদুল। এরপর মাহিদাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে সে।
মাহিদার মা মনিরা বেগম জানান, মাহিদাকে ঘরে না পেয়ে তাকে খোঁজার একপর্যায়ে জাহিদুলের ঘরের সামনে গিয়ে মাহিদার জুতা পড়ে থাকতে দেখে দরজা খুলতে বলেন জাহিদুলকে। পরে ঘরে ঢুকে মাহিদাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তার আর্তচিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে মাহিদাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মনির হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।





