নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ ২ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জ
মরদেহের প্রতীকী
এখন জনপদে
1

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেওয়ানবাড়ি-হাজীপাড়া এলাকার একটি মহিলা মাদ্রাসায় বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশ বার্নের ঘটনায় চিকিৎসাধীন দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় আরও এক কিশোরী রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ইমার্জেন্সি) ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, নারায়ণগঞ্জের ওই ঘটনায় মোট পাঁচজন রোগী তাদের ইনস্টিটিউটে চিকিৎসার জন্য এসেছিল।

তিনি বলেন, ‘আতিয়া (১১) ৪৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল। গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সে মারা যায়।’

এরপর গুরুতর দগ্ধ ১৪ বছর বয়সী জিদনিকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন ছিল। ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, জিদনি ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিল। আজ সকাল ৬ টার দিকে সে মারা গেছে।

বর্তমানে ১৩ বছর বয়সী লামিয়া গুরুতর অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছে বলে জানান চিকিৎসক। লামিয়া ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এদিকে, তুলনামূলক কম দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আছিয়া ও সুমাইয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তাদের আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মহিলা মাদ্রাসায় বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশ বার্নের এ ঘটনায় আহতদের চিকিৎসায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টা টায় ফতুল্লার কাশিপুর হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন মহিলা মাদ্রাসায় ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজন আবাসিক ছাত্রী দগ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় ছাত্রীরা ছাদে খেলাধুলা করছিল এবং তাদের কাছে পাতাযুক্ত আখ ছিলো। খেলার ছলে ওই আখ হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে বিকট শব্দে স্পার্ক হয়ে আগুন ধরে যায় এবং ছাত্রীরা দগ্ধ হয়।

এফএস