রেজা ঠাকুরগাঁও জেলার ভেলাজান এলাকার মোস্তফা কামালের ছেলে। তিনি পঞ্চগড় পৌরসভার রাজনগর এলাকায় বাড়ি করে তিন ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন। পাশাপাশি পঞ্চগড় সদর থানার সামনে কম্পিউটার কম্পোজের ব্যবসা করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রেজা মঙ্গলবার রাত ১২টায় বাড়ি থেকে রাগ করে বের হয়ে গেলেও পরে আর ফেরেন নি। বুধবার সকালে ওই স্থানে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন এবং সুরতহাল ও ক্রাইম সিন সংগ্রহ করেন।
পরে মরদেহ ময়নাতদন্তে জন্য পাঠানো হয়। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করাসহ মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনে কাজ করছে পুলিশ। তবে রাতে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া হয়েছিল বলে জানায় তার পরিবার। কিন্তু রেজার বাবা তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন।
রেজার স্ত্রী কোহিনুর বেগম বলেন, ‘প্রতিদিন ঘুমের ওষুধ খেয়ে বাড়ি আসতো রেজা। গতকালও খেয়ে এসে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে শুরু করলে আমার সঙ্গে ঝগড়া হয়। রাত ১২ টায় বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সে। তারপর সকালে শুনতে পাই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। আমরা গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করি। কিভাবে সে মারা গেছে আমরা জানি না।
রেজার বাবা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি তদন্ত করে এর বিচার চাই।’
পঞ্চগড় পুলিশ সুপার আবু সাইম বলেন, ‘ওই ব্যক্তির মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনের জন্য কাজ করছে পুলিশ। তার পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আমরা একটা চিরকুটও পেয়েছি। মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনের পাশাপাশি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’





