নিহত মোহাম্মদ আলমগীর (৪৬) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে প্রেষণে এসআরবি-৭-এর ফেনী ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার শান্তিবাগ এলাকায়। তিনি চেকপোস্টে দায়িত্বরত ছিলেন।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব সদস্যরা মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় ঢাকা মেট্রো-ট-১১-১৯৭৮ নম্বরের একটি কাভার্ডভ্যানকে থামানোর সংকেত দিলে চালক গাড়িটি থামান।
পরে একই লেনে আসা ঢাকা মেট্রো-ট-১১৬-৯৭৬৮ নম্বরের একটি ট্রাকের চালক সংকেত অমান্য করে দ্রুতগতিতে চালিয়ে কাভার্ডভ্যানটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেন।
এরপর ট্রাকটি মহাসড়কের বাম পাশ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ আলমগীরকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় ট্রাকটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে গেলে চালক মো. সজিবও গুরুতর আহত হন।
পরে দায়িত্বরত র্যাব সদস্যরা দুজনকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মোহাম্মদ আলমগীরকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখ করেন। আহত ট্রাকচালক মো. সজিব বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর এলাকার সালাম গাজীর ছেলে।
খবর পেয়ে মহিপাল হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি উদ্ধার করে থানার হেফাজতে নেয়। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। এ ঘটনায় মহিপাল হাইওয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। দুর্ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।





