স্থানীয়রা জানায়, নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে রাতে বাড়ি ফেরার পথে ২০ থেকে ২৫ জন তাকে কুপিয়ে জখম করে। চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাগ্নে ইসমাইল ও বিল্লাল হোসেন জানান, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা নিয়ে মোবারক হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জহিরের দ্বন্দ্ব চলছিলো।
এর আগেও কয়েক বার মোবারক তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে জহিরের ওপর হামলা করে। তাদের অভিযোগ পূর্বপরিকল্পিতভাবেই এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে। এদিকে, হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।





