সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এক সংশোধনী নির্দেশনায় এই সিদ্ধান্ত পরিষ্কার করা হয় (Saint Martin tourist travel and night stay guidelines 2026)।
আরও পড়ুন:
ভ্রমণের সময়সীমা, জাহাজ চলাচলের ঘাট ও যাত্রী ধারণক্ষমতা (Saint Martin ship schedule and passenger limit)
প্রবাল দ্বীপটির প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বেশ কিছু প্রশাসনিক নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে (Saint Martin travel pass requirement):
- ভ্রমণের সময়সীমা: আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপে গমনাগমন ও রাতযাপন দুটিই সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে।
- জাহাজ ছাড়ার স্থান: কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়াস্থ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (BIWTA) নির্দিষ্ট ঘাট থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।
- দৈনিক যাত্রীসীমা: দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় এবার প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার (৩,৫০০) পর্যটক সেন্টমার্টিন যাওয়ার সুযোগ পাবেন (Daily tourist limit Saint Martin 3500)।
- ফি ও ট্রাভেল পাশ: দ্বীপে ভ্রমণের জন্য প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের বিশেষ কারিগরি ব্যবস্থাপনায় বাধ্যতামূলকভাবে 'ট্রাভেল পাশ' সংগ্রহ করে দ্বীপে যেতে হবে (Saint Martin eco fee and travel pass)।
আরও পড়ুন:
সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কঠোর বিধিনিষেধ (Saint Martin environment protection guidelines)
দ্বীপটির নাজুক বাস্তুসংস্থান, সামুদ্রিক কাছিম এবং প্রবাল রিফ রক্ষায় পূর্বের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৫টি বিশেষ বিধিনিষেধ কঠোরভাবে বলবৎ থাকবে (Saint Martin tourist rules and restrictions):
- আলো ও নৈশ বিনোদন নিষিদ্ধ: রাতে সমুদ্রসৈকত ও এর আশপাশের স্পর্শকাতর এলাকায় কোনো ধরনের আলো জ্বালানো যাবে না।
- শব্দদূষণ ও বারবিকিউ: সৈকতে জোরালো শব্দ সৃষ্টি করা, মাইক বাজানো এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- কেয়াবন সংরক্ষণ: সংবেদনশীল কেয়াবনে প্রবেশ করা এবং কেয়া ফল সংগ্রহ, ক্রয় বা বিক্রয় করা যাবে না।
- সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা: সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের কোনো প্রাণীর ক্ষতি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- যানবাহন চলাচল বন্ধ: পরিবেশগত ক্ষতি এড়াতে সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইক বা অন্য কোনো যান্ত্রিক যানবাহন চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:



